যা আছে তার উপর ডোপামিনের সন্তুষ্টি নেই। ডোপামিন আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু চায়। আপনি যদি ব্রীজের নিচে বাস করতেন ডোপামিন আপনাকে বলবে তাবু তৈরি করতে। আপনি যদি তাবুতে বাস করতেন ডোপামিন আপনাকে বলবে একটা বাড়ি তৈরি করতে। আপনি যদি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি প্রাসাদে বাস করতেন ডোপামিন আপনাকে বলবে চন্দ্র অথবা মঙ্গলে দুর্গ তৈরি করতে। আপনি যদি চন্দ্রে দুর্গ তৈরি করেন ডোপামিন আপনাকে বলবে অন্য কোনো গ্যালাক্সি অনুসন্ধান করতে, আপনি যদি অন্য কোনো গ্যালাক্সি অধিকার করেন, ডোপামিন আপনাকে বলবে অন্য কোনো মহাবিশ্ব অনুসন্ধান করতে। আপনি যেখানেই যান না কেনো ডোপামিন আপনাকে আবার প্রথম থেকেই সবকিছু শুরু করতে ফোর্স করবে। ডোপামিনের কাছে ভালোর বিশ্বজনীন কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেই এবং ডোপামিনের অনুসন্ধানে কোনো ফিনিশিং লাইন নেই। মস্তিষ্কের ডোপামিন সার্কিট তা দ্বারা স্টিমুলেট হয় যা উজ্বল ও নতুন। এ মুহূর্তে আপনার জীবন কতটা নিখুঁত তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর এজন্য ডোপামিনের মূলমন্ত্র হলো “Something More”!
ডোপামিন হলো প্রেমের উদ্দীপকের মধ্যে একটি, এটি স্ফুলিঙ্গের উৎস এবং এটি আমাদের চালিত করে যা কিছু আমরা অনুসন্ধান করি। কিন্তু ভালোবাসার সম্পর্ক যখন একটি স্টেজে আসে, ভালোবাসার প্রকৃতিও পরিবর্তন হয়ে যায় কারণ এ পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে রাসায়নিক সিম্ফনি। ডোপামিন আসলে প্লেজার মলিকিউল নয়( সুখের অণু) , সবশেষে এটাকে আমরা বলতে পারি মলিকিউল অব এন্টিসিপেশন( প্রত্যশার অণু)।
ডোপামিন সবসময় ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ভালো কোনোকিছু প্রত্যাশা করে, সে Here and Now দেখেনা। উদাহরণস্বরূপ: আপনার প্রেমিকা ঠিক ‘এখানে’ আপনার সাথে থাকার পরও আপনি তাকে এ ‘মুহূর্তে’ দেখছেন না, ডোপামিন আপনার মনে অন্য কোনো নারীকে জাগিয়ে রেখেছে । আর তাই আপনাকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনার জন্য ভিন্ন কিছু কেমিক্যাল আছে, এক দল নিউরোট্রান্সমিটার যেগুলো বলা হয় হেয়ার এন্ড নাউ মলিকিউল। বিজ্ঞানীরা সংক্ষেপে এগুলোকে H&N অণু বলেন । অধিকাংশ মানুষই H & N এর নাম শুনেছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সেরেটোনিন, অক্সিটোসিন ও এন্ডোরপিন।


এ কেমিক্যালগুলো হলো আপনার মস্তিষ্কের উপযোগী মরফিন। মরফিনের কথা শুনেছেন তো? আমি আফিং- অন্যতম উপাদানের কথা বলছি। এটি উপক্ষার এবং প্রবলভাবে কার্যকর অপিওয়েড ব্যাথানাশক। মস্তিষ্কের Here And Now সেন্সকে পরিচালনা করার জন্য আরও এক শ্রেণীর কেমিক্যাল আছে যেগুলোকে এন্ডোক্যানাবিনোয়েড ( Endocannabinoids) বলে। এ কেমিক্যালগুলো হলো আপনার ব্রেন ভার্সনের মারিজুয়ানা। সহজ কথা আপনি গাঁজা ও আফিং না খেলেও আপনার মস্তিষ্কের ভেতর উপকারী ভার্সনের গাঁজা ও আফিং-এর নেশা আছে। যেগুলো আপনাকে ডোপামিনের ভবিষ্যতের বাস্তবতার আসক্তি থেকে দূরে রেখে এখন ও এই মুহূর্তে রাখতে চায়।

ডোপামিনের ভবিষ্যতের প্রত্যাশা থেকে দূরে সরিয়ে এই কেমিক্যালগুলো আমাদের সংবেদন ও ইমোশনের মাঝে রাখতে চায়। প্রকৃতপক্ষে অনেকগুলো এন্ডোক্যানাবয়েড মলিকিউলের মধ্যে একটি হলো আনন্ডামাইড( Anandamide)। এ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ আনন্দ, প্রশান্তি ও উজ্জ্বলতা থেকে এসেছে। নৃতাত্বিক হেলেন ফিশারের মতে, ভালোবাসার প্রথম তীব্র অনুরাগ ১২-১৮ মাসের মতো স্থিতিশীল থাকে। এটাকে Passionate Love বলে। ভিন্ন ধরণের একটি ভালোবাসার সম্পর্ক আছে যেটাকে বলা হয় “Companionate Love” বলে। ভালোবাসার প্রাথমিক তীব্র আসক্তি কেটে যাওয়ার পর এ সম্পর্কটি ধাপে ধাপে ডেভেলপ হয়। কোম্পানিওয়েট লাভ পরিচালিত হয় H & N মলিকিউল দ্বারা।
কোম্পানিওয়েট ভালোবাসার আর এক নাম বৈবাহিক সম্পর্ক অথবা সহচর ভালোবাসা৷ এ সম্পর্কটি মানুষের মাঝেই একমাত্র নয়। এ আচরণকে মূলত সংজ্ঞায়িত করা হয় ভুখণ্ড প্রতিরক্ষা এবং পাখিদের বাসা নির্মানের উপর। এ যুগলরা একে অন্যকে খাওয়ায়, গ্রুম করে এবং পারিবারিক কাজকর্ম ভাগাভাগি করে। বেশিরভাগ সময় তারা একে অন্যের কাছাকাছি থাকে এবং আশঙ্কা অনুভব করে যখন তারা দূরে চলে যায়। মানুষের মধ্যেও একই সক্রিয়তা ও একই অনুভূতি কাজ করে। বিশেষ করে তাদের মধ্যে সন্তুষ্টি কাজ করে যে কেউ না কেউ একজন তাদের পাশে আছে।
যখন H & N ভালোবাসার দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করে, ডোপামিন অবদমিত হয়। এর কারণ হলো ডোপামিন আমাদের মস্তিষ্কে আশাব্যঞ্জক ভবিষ্যৎ তৈরি করে সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। আসলে বর্তমানের প্রতি অসন্তোষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা আমাদের জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসে। আর এজন্য আমরা নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে চাই। আর অন্যদিকে H & N হলো সহচর ভালোবাসা, যেটি বর্তমানের প্রতি এক গভীর দীর্ঘস্থায়ী সন্তুষ্টির সাথে জড়িত। ডোপামিন ও H & N সার্কিট একসাথেই কাজ করে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা একে অন্যের বিপক্ষে কাজ করে, কাউন্টার অ্যাটাক যেটাকে বলে। H & N সার্কিট যখন জয়লাভ করে আমরা আমাদের চারপাশের রিয়েল ওয়ার্ল্ডের বস্তবতার অভিজ্ঞতা লাভ করি আর যখন ডোপামিন সার্কিট অ্যাক্টিভেট হয় আমরা ভবিষ্যতের সম্ভাবনায় ডুবে যাই এবং H & N অবদমিত হয়।
ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। যে সকল প্রেমিক প্রেমিকারা তীব্র আবেগীয় ভালোবসার সম্পর্কে জড়িত বিজ্ঞানীরা তাদের রক্ত কোষ পরীক্ষা করে দেখেন, তারা দেখতে পান সুস্থ্য মানুষের তুলনায় তাদের H&N সেরেটোনিন রিসেপ্টর নিন্ম পর্যায়ের। এটি সাক্ষ্য দিচ্ছে যে H&N ডোপামিনের কাছে পরাজিত হয়েছে।
নতুন সঙ্গীর জন্য ডোপামিনার্জিক থ্রিলকে বিদায় দিয়ে আবেগীয় সম্পর্কে স্থিতিশীল থাকা খুবই কঠিন। কিন্ত এ ক্ষমতা ম্যাচিউরিটির একটি লক্ষ্মণ এবং দীর্ঘস্থায়ী এক সুখের প্রতি পদক্ষেপ।মনে করুন, একজন ব্যক্তি রোমে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করলো। তিনি এক সপ্তাহ অপচয় করে প্রতিদিনের একটি শিডিউল তৈরি করলেন এটা নিশ্চিত করার জন্য যে তিনি যে সকল মিউজিয়াম ও ল্যান্ডমার্কের নাম শুনেছেন সবগুলো ভ্রমণ করবেন। কিন্তু যখন তিনি এ পর্যন্ত সৃষ্ট সবচেয়ে সেরা শিল্পকর্মের সামনে দাঁড়ালেন তিনি চিন্তা করা শুরু করলেন কীভাবে তিনি রেস্টুরেন্টে যাবেন যেখানে তার ডিনার সংরক্ষিত। এর মানে এই নয় যে তিনি মাইকেল এঞ্জেলোকে দেখার জন্য আন্তরিক নন। এটি এজন্যই যে তার ব্যক্তিত্ব ডোপামিনার্জিকঃ তিনি কাজ করার চেয়েও প্রত্যাশা ও পরিকল্পনায় সময় ব্যয় করতেই বেশি পছন্দ করেন।
ডোপামিন যে রোম্যান্স তৈরি করে তা আসলেই থ্রিলিং। যদিও ডোপামিন চালিত অনুভূতি স্বল্পস্থায়ী। কিন্তু আমাদের ব্রেন কেমিস্ট্রি আমাদেরকে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল সম্পর্কের দিকে নিয়ে যায়। ডোপামিন আমাদের মধ্যে কেবল গভীর আসক্তির জন্ম দেয় কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অক্সিটোসিন ও ভেসোপ্রেসিন জড়িত।। অক্সিটোসিন নারীদের মধ্যে অনেক বেশি অ্যাকটিভ এবং ভেসোপ্রেসিন বেশি অ্যাকটিভ পুরুষদের মাঝে।
বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন প্রাণীর নিউরোট্রান্সমিটারগুলো নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। যেমন বিজ্ঞানীরা নারী প্রেইরি ভোলদের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন ইনজেক্ট করেন আর এতে করে দেখা যায় তাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন গঠিত হয় তাদের চারপাশে যে ধরণের পুরুষই থাকুক না কেন। কিছুকিছু জিন পুরুষ প্রেইরি ভোলের মস্তিষ্ককে বহুগামী করে। কিন্তু যখন তাদের মধ্যে এমন জিন ইনজেক্ট করা হয় যা ভেসোপ্রেসিনকে বুস্ট করে তারা একজন নারীর সাথেই কেবল সম্পর্ক করে যদিও আরও অনেক নারী পড়ে আছে। ভেসোপ্রেসিন অনেকটা গুড হাজব্যান্ড হর্মোনের মত কাজ করে। আর অন্যদিকে ডোপামিনের কাজ সম্পূর্ণ উলটো। যে সকল জিন অধিক ডোপামিন তৈরি করে তাদের সর্বোচ্চ সংখ্যক সেক্সচুয়াল পার্টনার দেখা যায় এবং অত্যন্ত কম বয়সেই তাদের প্রথম সেক্সচুয়াল ইন্টারকোর্স হয়।
অধিকাংশ দম্পত্তি অতিরিক্ত ডোপামিনের আসক্তিতে অপেক্ষাকৃত কম ঘণ সেক্স করে এবং তাদের সম্পর্ক H & N এর সহচর ভালোবাসায় পরিণত হয়। এটি আমাদের নিকট একটি সেন্স তৈরি করে যে অক্সিটোসিন ও ভেসোপ্রেসিন টেস্টোস্টেরনকে অবদমিত করে রাখে। একইভাবে টেস্টোস্টেরনও অক্সিটোসিন ও ভেসোপ্রেসিনকে অবদমন করে যা আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করতে পারে কেন যে সকল পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বেশি তারা বিয়ে করতে অনিচ্ছুক। যদি কোন ব্যক্তির বৈবাহিক সম্পর্ক অস্থিতিশীল হয়ে উঠে তবে বুঝতে হবে যে তার ভেসোপ্রেসিন পরাজিত হয়েছে এবং আধিপত্য বিস্তার করেছে টেস্টোস্টেরন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো মানুষের মধ্যে কী দীর্ঘকালীন বৈবাহিক সম্পর্ক গঠিত হতে পারে? ভালো সংখ্যক প্রমাণ আমাদের বলছে, পারে। যদিও বাহিরের দিকে অসংখ্য সঙ্গীর প্রতি বাসনা কাজ করে, অধিকাংশ মানুষ অবশেষে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলে। ইউনাইটেড ন্যাশনের একটি পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে যে ৯০ শতাংশ থেকেও বেশি নারী ও পুরুষ ৪৯ বছর বয়সে বিয়ে করে। আমরা বৈবাহিক সম্পর্ক বা সহচর ভালোবাসা ছাড়াও জীবনযাপন করতে পারি কিন্তু আমাদের চারপাশের বেশিরভাগ মানুষ এ ধরণের সম্পর্ক তৈরি করে। H & N আমাদের এটা করার অনুমোদন দেয়। আমাদের সংবেদন এ মুহূর্তে আমাদের মস্তিষ্কে যে সকল অনুভূতি প্রদান করছে তার উপর এটি আমাদের সন্তুষ্ট থাকার অনুমোদন দেয়। আমরা এমন কিছু দ্বারা বিরক্ত হইনা যে আমাদের আরও বেশি কিছু লাগবে।
টেস্টোস্টেরনঃ হেয়ার এন্ড নাউ
সেক্সচুয়াল আকর্ষণের রসায়ন:
যে রাতে লিসা প্রিজমের সাথে দেখা করেছিল সে ছিল তার মাসিক সাইকেলের তেরতম দিনে। কিন্তু তাতে কী? টেস্টোস্টেরন আসলে নারী ও পুরুষ দুজনের মধ্যেই যৌন আকাঙ্খা তৈরি করে। পুরুষের মধ্যে এটি বেশি পরিমাণ তৈরি হয় কারণ এটি তাদের ফেশিয়াল হেয়ার, পেশির বৃদ্ধি এবং নিম্ম কম্পাঙ্কের শব্দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের ডিম্বাশয়ে এটি অল্প পরিমাণ তৈরি হয়। গড়পড়তা, নারীদের সর্বোচ্চ টেরোস্টেরন তৈরি হয় মাসিক সাইকেলের তের থেকে ১৪ তম দিনে। এটা হলো সে সময় যে সময় তাদের ডিম্বাশয়ে প্রচুর ডিম রিলিজ হয়। যদিও প্রতিদিন এখানে র্যান্ডম ভেরিয়েশন কাজ করে। কিছু নারীর সকালের দিকে বেশি টেস্টোস্টেরন তৈরি হয়। আবার কারও কারও দিনের শেষে। টেস্টোস্টেরনকে ড্রাগ দ্বারা পরিচালিত করা যায়। প্রক্টর এন্ড গেম্বলের বিজ্ঞানীরা নারীর স্কিনে টেস্টোস্টেরন জেল ব্যাবহার করে দেখেছেন তারা বেশি সেক্স ফিল করে, তারা অনেক বেশি সেক্স চায়। ফিমেইল ভায়াগ্রা জেলকে Food and Drug Administration গ্রহণ করেননি কারণ এই ফিমেইল জেল ব্যবহার করলে অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরনের প্রভাবে নারীদের মুখে অস্বাভাবিক চুল, পুরুষালি গলা ও শারীরিক দৃঢ়তা দেখা দেয়।

রুটগার বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথ্রোপোলজিস্ট এবং চিপ সায়েন্টিফিক এডভাইজর হেলেন ফিশার বলেন, টেস্টোস্টেরন আমাদের মধ্যে যে প্রাকৃতিক তাড়না তৈরি করে সেগুলো আমাদের অন্যান্য তাড়না যেমনঃ ক্ষুদার মতোই। আমরা যখন ক্ষুদার্ত থাকি তখন সকল ধরণের খাবারই আমাদের সন্তুষ্ট করতে পারে। যখন একজন ব্যক্তির মধ্যে টেস্টোস্টেরন দ্বারা প্রভাবিত সেক্সচুয়াল তাড়না কাজ করে, এটি এমন এক ধরণের যৌন ক্ষুদা তখন আমরা নির্দিষ্ট কোনো পুরুষ বা নারী নয়, চোখের সামনে যাকে দেখি তাকেই চাই। একজন ক্ষুদার্ত ভিক্ষুক যেমন রাস্তার খাবারও কুড়িয়ে নিতে পারে ঠিক তেমনি অধিক টেস্টোরণের প্রভাবে আমরা সঙ্গী নির্বাচনের সময় বাছবিচার করিনা। এজন্য মাসিক সাইকেলের তেরতম দিনে নারীর টেস্টোস্টেরন বাছবিচারহীন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি লালন করে। তরুণদের ক্ষেত্রে আমরা এ ব্যাপার বেশি খেয়াল করি। এটি শুধু একটি দুর্দমনীয় আকাঙখা তবে সেক্সচুয়াল ক্ষুদায় কারো মৃত্যু হয়না। টেস্টোস্টেরন তাদের সুইসাইড ও মার্ডার হতে দেয়না ___যেটা আমরা ডোপামিনের বশবর্তী হয়ে করতে পারি।


