সুইজারল্যান্ডের মানুষ তাদের জীবনের দৈর্ঘকে আর সহ্য করতে পারছেনা । তাদের অনেকেরই ইম্মর্টালিটি ও জীবনের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের সূত্র মতে প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীর একজন মানুষ জীবনকে না বলছে।। কোনো দেশই তাদের জনগনের আত্মহত্যা মেনে নিতে পারছেনা। শুধু গুটিকয়েক দেশে আত্মহত্যার অপশন আছে। আর এজন্য মৃত্যুপথযাত্রীদের পাশে একটি মেশিন এসে দাঁড়িয়েছে । এ মহান যন্ত্রটি জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণ মানুষদের সুইসাইড করতে সাহায্য করবে।
যন্ত্রটির নাম Sacro। এই সুইসাইড পড সুইজারল্যান্ডে অনুমোদন প্রাপ্ত কারণ এটি সুইজারল্যান্ডের এসিস্টেড সুইসাইড আইনকে লঙ্ঘন করেনা। যেটি আপনাকে ব্যাথাহীনভাবে মৃত্যুবরণ করতে সাহায্য করবে।
এজন্য প্রথমে একটা সুইচ অন করতে হবে। সুইচ অন করার পূর্বে ব্যক্তিকে কয়েকটি প্রশ্ন করা হবে এবং অন হওয়ার সাথে সাথেই পড বা সুইসাইড মেশিনের ভেতর নাইট্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাবে যা দ্রুতগতিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেবে এবং এতে করে ব্যক্তি এক মিনিটের ভেতর আনকনসাস স্টেটে চলে যাবে। সাবজেক্ট কোনোপ্রকার যন্ত্রণা বা চাপ অনুভব করবেনা। সে ঘুমের মধ্যে অচেতনভাবে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের অভাবে মারা যাবে। এটি হলো মৃত্যুর একটি নমনীয় উপায়।

সুইজারল্যান্ডে এ মেশিনটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালেই ১৩০০ জন ব্যক্তি এ উপায়ে মৃত্যুবরণ করেছে। বিবিসির তথ্যমতে, কনশাসনেস হারানো এবং মৃত্যুর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি শেষ হতে দশ মিনিট সময় লেগে যাবে। এ মেশিনটি যদি সামনের দিকে এগিয়ে যায় তবে এটি প্রচলিত পদ্ধতিতে বিক্রি হবেনা। ক্যাপসুলের ক্রিয়েটর Dr Philip Nitschke বলেন, তিনি এ যন্ত্রের একটি ব্লু-ফ্রিন্ট তৈরি করবেন, যাতে যে কেউ সেই ব্লু-প্রিন্ট ডাউনলোড করতে পারে। আর এটি ফ্রীতেই পাওয়া যাবে। তার লক্ষ্য মৃত্যুকে Demedicalize করা; এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে তিনি এ কথা বলেন। তিনি মৃত্যুর অধিকার নিয়ে ক্যাম্পেইন করছেন যেজন্য তাকে ড. ডেথও ডাকা হয়।

তথ্যসূত্র
- one person dies every 40 seconds, WHO
- Maker of suicide pod plans to launch in Switzerland,BBC
- In the works for years, a suicide machine will soon be tested in Switzerland, washington post
Read more-CRISPR জিন এডিটিং এন্ড ট্রান্সহিউম্যান


