রোমান্টিক প্রেমের ক্যামিস্ট্রি
মূলপাতা বিজ্ঞান রোমান্টিক প্রেমের ক্যামিস্ট্রি

রোমান্টিক প্রেমের ক্যামিস্ট্রি

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
105 বার পঠিত হয়েছে
পৃথিবীর ৩.৮ বিলিয়ন নারীর মাঝে আমার কেনো শুধু একজনকেই ভালোলাগে? কেনো একজনের প্রতিই আমি ক্রাশ? সে ছাড়া কেনো আমি একটি থার্মোনিউক্লিয়ার ছাইও না?  এর অজস্র কারণ আছে, স্কিনের উজ্জ্বলতা, চোখের রঙ, ভয়েস অথবা স্মাইল যা সেকচুয়াল হেলথ ইন্ডিকেটর যা আমাদের বলে,  রি-প্রোডাক্টিভ সাকসেসের পসিবিলিটির কথা। কিন্তু এসবের মধ্যে  গুরুত্বপূর্ণ দুটি ব্যাপার, হলো স্মেল ও পারসোনালিটি! আমার এখনো মনে আছে বয়সন্ধীর শুরুতে আমি একজন মেয়ের শরীরের ঘ্রাণে মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ মাদকতা পেয়েছি। এটি আমার মস্তিষ্কের নিউরনে এত দৃঢ়ভাবে গেঁথে গেছে যে, আমি আজও সেই ঘ্রাণের আসক্তির স্মৃতি ভুলতে পারিনি। অনেক খুঁজেছি সেই আদিম অনুভূতি কিন্তু পাওয়া যায়নি আর। হেলেন ফিশার তার Anatomy of Love গ্রন্থে লিখেন, প্রতিটি মানুষের কন্ঠস্বর, লুকিং স্টাইল, হাত ও বুদ্ধিমত্তা যেমন আলাদা আলাদা, ঠিক তেমনি তাদের দেহের ঘ্রাণও আলাদা আলাদা। আর প্রায় ২৬ বছর পর আমি বুঝতে পারি কেনো আমার নিউরনে জমে থাকা সেই ঘ্রাণ আমি ভুলতে পারিনা। একজন সদ্য জন্ম নেয়া শিশুও তার মায়ের শরীরের ঘ্রাণ আলাদা করে চিনতে পারে, আমরা বড় হতে হতে প্রায় ১০০০০ আলাদা আলাদা ঘ্রাণ সনাক্ত করতে শিখি। আমাদের প্রকৃতি বা এলগোরিদমের  মধ্যেই যদি স্মেল রাখা হয় তবে আমরা ভিন্ন ভিন্ন স্মেলের প্রতি খুব সহযেই আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতেই পারি।



অনেক প্রাণী আছে যারা অন্যের মস্তিষ্ককে নেশাগ্রস্ত করার জন্য স্মেল ব্যবহার করে। উনিশ শতকের ফ্রেন্স ন্যাচারালিস্ট জিয়ান হেনরি ফ্যাবরি, একবার মথদের রাজার একটি সুন্দর গুটি খুঁজে পেয়েছিলেন, তিনি এটাকে তার বাসায় নিয়ে আসেন ও এক্সপেরিমেন্ট করেন। পরেরদিন সকালে এটি রুপান্তরিত হয়ে একজন নারী বেরিয়ে আসে। ফ্যাবরি তাকে খাচায় রেখে দেন। এর পরের দিন সকালে বিস্ময়করভাবে তার ঘরের জানলায় প্রায় ১৫০ জন পুরুষ মথ এ তরুণী নারীর প্রণয় প্রার্থনা করার জন্য একত্রিত হয়। মূলত স্ত্রী মথটির উদরে একপ্রকার অদৃশ্য ফেরোমন ছিলো যা পুরুষদের আকৃষ্ট করে। ফ্যাবরির গবেষণায় বেরিয়ে আসে, ২৫০ প্রজাতির পতঙ্গ আছে যারা ঘ্রাণের প্রতি আসক্ত হয়।
মানুষের শরীরও প্রডিউস করতে পারে শক্তিশালী কিছু ওলফ্যাক্টরি অ্যাফ্রোডিসিয়াক্স। নারী ও পুরুষ উভয়ের বগল ও নিপলের চারপাশে এপ্রোকিন গ্ল্যান্ড লুকিয়ে থাকে, এবং কটিসন্ধিতে বয়সন্ধীতে এটি একটিভ হয়। এই স্যান্ট বক্স এক্রিন গ্লান্ড থেকে আলাদা যা আমাদের শরীরের অধিকাংশ স্থান আবৃত করে রাখে এবং ঘ্রাণহীন তরল তৈরি করে, কারণ এ নির্যাস স্কিনের ব্যাক্টেরিয়া সাথে মিশ্রিত হয়ে, এক্রিড তৈরি করে, যার জন্য তৈরি হয় তীব্র ঘর্মাক্ত ঘ্রাণ। বেউডিলেয়ার মনে করতেন, এই তীব্র ঘামের ঘ্রাণের মধ্যেই একজন মানুষের আত্মা বাস করে। উনিশ শতকের ফ্র্যান্স উপন্যাসিক জোরিস কার্ল হিউসম্যান নারীর শরীরের ঘ্রাণ শুকেই মাঠে পথ চলতে পারতেন, তিনি বলেন, নারীরের বগলের তলদেশের ঘ্রাণ পুরুষের ভেতর একটি প্রাণীকে খাচা থেকে মুক্ত করে দেয়।


সম্রাট নেপোলিওন তার প্রেমিকার সাথে দেখা করার পূর্বে তাকে অনুনয় করে চিঠি লিখেন, আমি আগামীকাল প্যারিসে পৌছাবো, ধুয়ে ফেলোনা। ( I will be arriving in pairs tomorrow evening, Don’t Wash)


পুরুষের ঘামের ঘ্রাণ নারীর মস্তিষ্কে রোমান্টিক ফিলিংস তৈরি করে। সম্ভবত পুরুষের ঘামের বিশুদ্ধ ঘ্রাণ নারীর Luteinizing Hormone উত্তোলন করে যা সেকচুয়াল উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে। নারীর যৌনি থেকে একপ্রকার তরল বের হয়, এটাকে কোপিউলিন বলে, এটি পুরুষের মস্তিষ্কের টেস্টোটেরোনে ট্রিগার করে এবং যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে, ডিম্বস্ফোটন এর সময় বিশেষ করে কোপিউলিন তৈরি হয়। আর এ ঘ্রাণের অনুসরণ করেই, সেক্সের সময় যৌনির স্টিমুলেশন মস্তিষ্কের ডোপামিন সার্কটের তীব্রতা বৃদ্ধি করে দেয়, যা রোমান্টিক অনুভূতির সাথে জড়িত।


আমাদের আছে ক্যামিস্ট্রি…



আমি কেনো কোনো একজন নারীর প্রতি আকৃষ্ট হই? কী এমন আছে তার মাঝে যা আমার চোখে তাকে বিশেষ করে তোলে! হেলেন ফিশার মনে করেন এর পেছনে কাজ করে পারসোনালিটি! কিন্তু আমরা ব্যক্তিত্ব বলতে কী বুঝি? অধিকাংশ মানুষের মধ্যে ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা রয়েছে! আমরা ব্যক্তিত্বকে সবসময় সামাজিক ডায়মেনশন থেকে দেখে থাকি! শিক্ষা,সংস্কৃতি, সামাজিক অবস্থানের উপর ভর করে আমাদের ব্যক্তিত্বের কনসেপ্ট গড়ে উঠে।



মূলত, ব্যক্তিত্ব দু-ধরণের মৌলিক বৈশিষ্ট্যের দ্বারা গঠিত হয় , তার মধ্যে সেগুলোও রয়েছে যেগুলো আমরা সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতার জগত থেকে পেয়ে থাকি আবার রয়েছে সেগুলো যা আমাদের মধ্যে বায়োলজিক্যালি গ্রোথিত থাকে, যেটাকে বলা হয় ট্রেইট অব টেম্পারম্যান্ট বা প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য। টেম্পারম্যান্ট আমরা উত্তরাধিকার সুত্রে পেয়ে থাকি, যা আমাদের জীবনের শেষ পর্যন্ত স্থির থাকে, এ সকল প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য সম্পৃক্ত জিন, হর্মোন এবং নিউরো-ট্রান্সমিটার সিষ্টেমের সাথে।মূলত, হেলেন ফিশার বলেন, আমাদের ব্যক্তিত্বের ৪০-৬০ ভাগ আসে সরাসরি আমাদের বায়োলজি থেকে, যা তৈরি করে আমাদের প্রকৃতি বা স্বভাব।


যদি আপনার বায়োলজিই, আপনাকে নির্দিষ্ট পার্টনারের জন্য অংকন করে, তবে আমি একাডেমিক লিটারেচার থেকে ব্যক্তিত্বের সে বৈশিষ্ট্যগুলো সঙ্কলন করতে পারি যা আমাদের ব্রেন সিষ্টেমের সাথে সংযুক্ত। হেলেন ফিশার ব্যক্তিত্বের কনস্টেলেশনের সাথে সম্পৃক্ত চারটি ব্রেন সিস্টেম আবিষ্কার করেছেন তার মধ্যে রয়েছে; ডোপামিন, সেরেটোনিন, টেস্টোটেরন এবং এস্ট্রোজেন/ অক্সিটোসিন সিস্টেম। তিনি প্রায় ৪৬ টি প্রশ্নের ডিজাইন করেছেন এটা পরিমাপ করার জন্য যে কিভাবে আপনি বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করতে পারেন এ ব্রেন সিস্টেমের সাথে যাদের প্রতিটি সম্পৃক্ত।


নারী ও পুরুষের মধ্যে যারা ডোপামিন সিষ্টেমের সাথে সম্পৃক্ত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেন তারা তাদের মতো দেখতে মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পছন্দ করে। তারা সে সকল ব্যক্তিদেরকেই পছন্দ করে যারা উৎসাহী, স্বতঃস্ফূর্ত, এনার্জিটিক, নতুনত্বের অনুসন্ধানকারী এবং মুক্তমনা।


এ ধরণের মানুষগুলো মুক্তমনা হিসেবেই জন্মগ্রহন করে।


কেউ কেউ পছন্দ করে তাদেরকে যারা এডভ্যান্সারে যেতে পছন্দ করে, পাহাড়, সমূদ্র অথবা মরুভূমিতে। আবার অন্যরা পছন্দ করে তাদের যারা তাদের সাথে মুভি, ব্যালেট, থিয়েটার অথবা অপেরাতে অংশগ্রহণ করে। কেউ কেউ চায় প্রকৃতির রহস্য উন্মোচন করতে। আবার কেউ কেউ নতুন নতুন ধারণা অনুসন্ধান করে যা তাদেরকে সে মুহূর্তে আনন্দ দেয়। প্লেটো এ ধরণের ব্যক্তিদের বলেছিলেন, আর্টিসান কিন্তু হেলেন ফিশার বলেন, আমি এদেরকে বলতে চাই কিউরিয়াস ও এনার্জিটিক।



আমরা প্রায়শ দেখি, উদ্ভাবকরা উদ্ভাবকদেরকেই পছন্দ করে, যে সকল ব্যক্তি জৈবিকভাবে দেখতে সম্পূর্ণ তাদের মতো। এ ধরণের প্রাথমিকভাবে এক্সপ্রেসিভ সিস্টেম সেরোটোনিন সিস্টেমের সাথে সম্পৃক্ত যা সে সকল মানুষের সাথে সম্পৃক্ত যারা তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়। এ ধরণের মানুষরা হয় ঐতিহ্যবাহী, শান্ত ও সাবধান। তারা সবসময় চেনা জানাদের পছন্দ করে। তারা কতৃপক্ষের রুলস মেনে চলে, পরিকল্পনা, রুটিন ও শিডিউল উপভোগ করে। তারা থাকে বিনয়ী, সুশৃঙ্খল ও বিবেকবান। সমাজের এ স্তম্ভকে প্লেটো বলেছিলেন, গার্ডিয়ান। হেলেন ফিশার বলেন, আমি এ ধরণের চিন্তাভাবনা ও আচরণকে সচেতনতা/ সামাজিকতা বলেই মনে করি এবং এ ধরণের পুরুষ ও মহিলারা হলেন নির্মাতা। এই নির্মাতারা তাদেরকেই পছন্দ করবে যারা তাদের মতো নির্মাতা। কিন্তু যেখানে নির্মাতা নির্মাতাদের আকৃষ্ট করে, উদ্ভাবকরা অন্যান্য উদ্ভাবকদেরকে নিজেদের প্রতি আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে সেখানে যে সকল নারী ও পুরুষ অত্যাধিক টেস্টোটেরোন এবং ইস্ট্রোজেন হর্মোন দ্বারা চালিত তারা তাদের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়।


এক্ষেত্রে আমরা স্টিভ জবসের উদাহরণ দিতে পারি যিনি অত্যান্ত উচ্চমাত্রিকভাবে টেস্টোস্টেরন দ্বারা চালিত। আপনি তার চেহারার দিকে তাকান আপনি দেখবেন তার রয়েছে- উঁচু কপাল, ভারী চোখের ভ্রু, উঁচু চেকবোন এবং কাঁচা চোয়াল এগুলোর সবটাই ব্যাপকভাবে মেল হর্মোন দিয়ে তৈরি। কিন্তু টেস্টোটেরোন পারসোনালিটির বৈশিষ্ট্যের একটি কনস্টেলশন তৈরি করে, বিশেষ করে স্থানিক ও ম্যাথ সংক্রান্ত দক্ষতার ক্ষেত্রে, কম্পিউটার রিলেটেড বুদ্ধিমত্ত্বা থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ারিং, সঙ্গীত ও ম্যাকানিক্স। এ ধরণের নারী ও পুরুষরা উদ্ভাবনী, সন্দেহবাদী, যথাযথ, এবং উন্মোক্তভাবে প্রতিযোগী, এরা অকপটে, শক্ত মনের এবং সাহসী। তারা জন্মই গ্রহণ করে তারকা হওয়ার জন্য। প্লেটো এদেরকে রেশনাল বলেছেন। কিন্তু হেলেন ফিশার তাদেরকে একটি সায়েন্টিফিক টার্মে সঙ্গায়িত করেছেন, এনালিক্টিক্যাল/ Tough Minded! বেশিরভাগ লোক, যদিও মার্গারেট থ্যাচার ( এবং হিলারি ক্লিনটন) এ ধরণের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছেন। জেন্ডার নির্বিশেষে, উচ্চমাত্রিক এস্ট্রোজেন সম্পন্ন ব্যক্তি যাকে হেলেন ফিশার নেগোসিয়েটার হিসেবে অভিহিত করেছেন। নেগোসিয়েটাররা, সর্বাগ্রে, এস্ট্রোজেন এবং এর সাথে সম্পৃক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ করে, খুবই ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত নিউরোকেমিক্যাল যেটি  হলো অক্সিটোসিন। এরা সবসময় “Big Picture” দেখে।


Steve Jobs Hated Working From Home But That's Only Half the Picture | Inc.com



অক্সিটোসিন নিউরোকেমিক্যাল দ্বারা চালিত এ ব্রেন গুলোকে বলে “Web Thinking”। যে নামটি হেলেন ফিশার কতৃক প্রদান করা হয়। এরা খুবই প্রাসঙ্গিক, সামগ্রিক, তারা সবকিছুকে দীর্ঘস্থায়ী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে, তারা শব্দে অত্যন্ত পারদর্শী, উচ্চমাত্রিক সব কল্পনা তৈরি হয় তাদের মাঝে, তারা স্বজ্ঞাত, সহানুভূতিশীল, বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রবল আবেগ সম্পর্ণ তাদের ভাব প্রকাশে। প্লেটো এ ধরণের ব্যক্তিদের দর্শনের রাজা ( The Philosoper King) বলেছেন। কিন্তু হেলেন ফিশার এ ধরণের মানুষদের প্রো-সোস্যাল / এম্পেথেটিক ডায়মেনশন থেকে দেখেছেন। এদের অধিকাংশ নারী, কিন্তু হেলেন মনে করেন, বিল ক্লিনটনও ছিলেন একজন High Estrogen Man। সমগ্র বিশ্ব জানেন বিল ক্লিনটন কথা বলতে পছন্দ করতেন, তিনি ছিলেন সামাজিকভাবে খুবই দক্ষ।


তিনি বারবার একটি ফ্রেজ ব্যবহার করতেন, ”আমি আপনার পেইন ফিল করছি” এবং তার  ১৯৫৭ সালের অটো-বায়োগ্রাফিতে, তিনি লিখেছেন, It is Important to have a Synthesizing Mind। এ সব বৈশিষ্ট্য এস্ট্রোজেনের সাথে সম্পৃক্ত।


রোমান্টিক প্রেমের ক্যামিস্ট্রি



জেন্ডার নির্বিশেষে, নেগোসিয়েটররা শুধু তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয় যারা পরিচালক। আপনি এই সংমিশ্রনটি হয়তো দেখেছেন, একজন সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর নারী কঠিন মনের মহাবিশ্বের সবচেয়ে একজন স্বল্পভাষী ব্যক্তিকে পছন্দ করেছেন অথবা মিষ্টি, সেবামূলক মনের অধিকারী, অত্যন্ত ধৈর্যশীল ব্যক্তিটি উচ্চ ক্ষমতাবান কারো সাথে বসবাস করেছেন, সে কোনো বন্দী মহিলাকে নিজের জীবনের জন্য পছন্দ করেনি। আমরা প্রত্যেকেই এই চারটি ডায়মেনশনের প্রকৃতি আমাদের মধ্যে লালন করি। কিন্তু এদের মধ্যে কোনো একটি আমাদের এক একজনের মধ্যে এক একভাবে আধিপত্য বিস্তার করে। আর এ জন্য কিছু কিছু ট্রেইট আমাদের মধ্যে নিয়মিত মনে হয়। এবং একটি প্রশস্ত, ব্যাসিক স্টাইলের চিন্তা অথবা আচরণ আমাদের মধ্যে অবচেতভাবেই দেখা দেয়। যখন কারো আচরণ আমার মস্তিষ্কের কেমিস্ট্রির সাথে রিজোন্যাট করে তখনই আমরা প্রেমে পড়ি, রবার্ট ব্রাউনিং এটাকে রোম্যান্টিক ভালোবাসা বলেন।



তথ্যসুত্রঃ

The Anatomy of Love , Helen Fisher

আরো পড়ুন-

আরও পড়ুন

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!