মনের ভিডিও
মূলপাতা কনসাসনেস মনের ভিডিও

মনের ভিডিও

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
166 বার পঠিত হয়েছে

মনের ভিডিও ,টেলিপ্যাথি, টেলিকেনেসিস,ন্যানোপ্রোব , হলোডেক,প্রাইভেসি ইস্যু

W𝗵𝘆 𝗱𝗶𝗱𝗻’𝘁 𝗘𝘃𝗼𝗹𝘂𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗚𝗶𝘃𝗲 𝘂𝘀 𝗧𝗲𝗹𝗲𝗽𝗮𝘁𝗵𝗶𝗰 𝗣𝗼𝘄𝗲𝗿?ᵖᵃʳᵗ1

সায়েন্টিফিক আমেরিকা একবার ঘোষণা করেছিলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে কেউ যদি সাইকোলজিক্যাল ক্ষমতার প্রমাণ দিতে পারে তবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে।কিন্তু কেউই সে পুরস্কার অর্জন করতে পারেনি।আবার অনেকে মনে করতো ট্যালিপেথির অস্তিত্ব অসম্ভব কিন্ত বর্তমানে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি টেলিপ্যাথি নিয়ে কাজ করছে।উন্নত সেন্সরের মাধ্যমে তারা মানুষের মস্তিষ্কের ইমেজ,থট এবং ওয়ার্ড রিড করতে পেরেছে।স্টোকের রোগী অথবা এক্সিডেন্ট ভিক্টিম যারা দেহের ভেতর লক হয়ে যায় বিজ্ঞানীরা তাদের মস্তিষ্কের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন।টেলিপ্যাথি কম্পিউটার এবং আউটসাইট ওয়ার্ল্ডের সাথে আমাদের যোগাযোগের সম্পূর্ণ প্রকৃয়াটাকেই 𝑎𝑙𝑡𝑒𝑟 করে দিয়েছে।
𝐈𝐁𝐌 ঘোষণা করেছিলো, তারা সাইকোলজিক্যালি কম্পিউটারের সাথে কমিউনিকেট করতে সক্ষম হয়েছে।তারা মাউসের পরিবর্তে ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারকে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছে।তারমানে,আমরা আমাদের মস্তিষ্কের মাধ্যমেই সেলফোনে কল করতে পারবো, ক্রেডিড কার্ড পে করতে পারবো, কার ড্রাইভ করতে পারবো অথবা তৈরি করতে পারবো বিখ্যাত চিত্রকল্প!
সত্যিকার টেলিপ্যাথি যা  সায়েন্স ফিকশন অথবা ফ্যান্টাসী মুভিতে দেখা যায় সেটা এক্সটারনাল সোর্সের সহযোগীতা ছাড়া সম্ভব নয়।আমরা জানি আমাদের ব্রেন ইলেক্ট্রিক্যাল।সাধারণভাবে যেকোনো সময় ইলেক্ট্রন এক্সিলারেট হয়,আর এ থেকে তৈরি হয় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন।ঠিক একই ব্যাপারটি আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যায়।আমরা জানি আমাদের মস্তিষ্কেও ইলেক্ট্রন দোদুল্যমান, যে প্রতিনিয়ত রেডিও ওয়েভ সম্প্রচার করছে কিন্তু এ সিগনাল গুলি এতটাই দূর্বল যে এগুলিকে সনাক্ত করা খুবই কষ্টের, এমনকি যদিও আপনি এই ওয়েভগুলির যথার্থ লোকেশন নির্ধারণ করেন তারপরেও এগুলির পাঠ উদ্ধার করা একেবারেই অসম্ভব।
মিসিও কাকু বলেছেন, বিবর্তন আমাদেরকে র‍্যান্ডম রেডিও সিগনালের অর্থ উদঘাটনের ক্ষমতা দিয়ে বিকশিত করেন নি।কিন্তু কেনো?মিলিয়ন মিলিয়ন বছর পূর্বে আমাদের পূর্ব পুরুষরা কী  একে অপরের মস্তিষ্কের 𝖱𝖺𝗇𝖽𝗈𝗆 𝖱𝖺𝖽𝗂𝗈 𝖶𝖺𝗏𝖾 পাঠ করতে পারতো যার কারণে খুব সহযেই একে অপরের চিন্তাকে কপি করতে পারতো, তারা তাদের জীবনের প্রাইভেসি সংকটের মধ্যে পতিত হয়েছিলো এবং তাদের নিজেরই অজান্তে তাদের চিন্তাগুলি অন্যরা চুরি করে নিয়ে যেতো?যদি এমন হয়, সম্ভবত, সেই প্রজন্মের টিকে থাকা এবং বংশবিস্তারের সম্ভাবনাই ছিলো অসম্ভব, হতে পারে সেজন্যেই আমরা আমাদের একে অপরের মস্তিষ্কের রেডিও তরঙ্গ পড়ার ক্ষমতা রাখিনা কারণ এভোলিউশন জেনেটিক্যালি আমাদের মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতাকে সুইচ অফ করে দিয়েছে!
সে যাইহোক,  বিবর্তন যদিও আমাদের র‍্যান্ডম রেডিও ওয়েভের পাঠ উদ্ধার করার ক্ষমতা দেয়নি কিন্তু আমরা কম্পিউটারের মাধ্যমে এ রেডিও ওয়েভগুলির পাঠ উদ্ধার করতে পারি।বিজ্ঞানীরা 𝖤𝖤𝖦 স্ক্যানের মাধ্যমে মস্তিষ্কের চিন্তার একটি 𝖢𝗋𝗎𝖽𝖾 𝖠𝗉𝗉𝗋𝗈𝗑𝗂𝗆𝖺𝗍𝗂𝗈𝗇 তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।এজন্যে প্রথমে আপনার মস্তিষ্কে 𝗘𝗘𝗚 𝖲𝖾𝗇𝗌𝗈𝗋 সহকারে একটি হেলমেট পড়ানো হবে এবং আপনার সামনে একটি গাড়ীর [বা অন্যকিছু] ছবি রাখা হবে, সেখানে আপনি মনযোগ সহকারে তাকিয়ে থাকবেন, আর ঠিক ঐ মুহূর্তে আপনার মস্তিষ্কের তরঙ্গ রিড করবে 𝗘𝗘𝗚 𝖲𝖾𝗇𝗌𝗈𝗋, গাড়ীটিকে দেখার পর আপনার ব্রেনে যে রেডিও ওয়েভ তৈরি হয়েছে সেটি সে রেকর্ড করবে।এভাবে এক একটি বস্তুর উপস্থিতিতে আপনার ব্রেনে এক একরকম রেডিও পালস তৈরি হবে।আর কম্পিউটার আপনার প্রত্যেকটি চিন্তার একটি ডিকশনারী তৈরি করবে।পরবর্তীতে যখন আপনি গাড়ির কথা চিন্তা করবেন তখন 𝗘𝗘𝗚 𝖲𝖾𝗇𝗌𝗈𝗋 আপনার চিন্তার রেডিও পালসকে কম্পিউটারের সেই থট ডিকশনারীর সাথে মিলিয়ে দেখবে এবং  রেডিও পালস পড়েই সে বলে দেবে আপনি মনে মনে কি চিন্তা করছেন।

 

হাইপারস্পেসের প্রাসঙ্গিক পোস্টঃ

মনের ভিডিও,  তথ্যসুত্রঃ

 

এন্ড্রোস লিহন, CEO,HELIX UNIVERSITY

আরও পড়ুন

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!