বার্টান্ড রাসেল এর বইগুলো
মূলপাতা প্রকাশনাঅনুবাদ গ্রন্থ  বার্টান্ড রাসেল এর বইগুলো

 বার্টান্ড রাসেল এর বইগুলো

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
225 বার পঠিত হয়েছে

বিংশ শতকের বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন মানবতাবাদী এবং বিজ্ঞান ও গণিত শাস্ত্র বিশারদ এবং দার্শনিক ব্যক্তিত্য বার্ট্রান্ড রাসেল ৷ ১৯৫০ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং পরে বৃটেনের সর্বোচ্চ বেসামরিক উপাধি ‘ অর্ডার অব মেরিট ’ ও তাকে প্রদান করা হয় ৷ তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধবিরোধী বিশ্বজনমত গঠনে নিজের মতামত প্রকাশ করে নিবন্ধ লিখার অপরাধে ১৯১৮ সালে দণ্ডিত হয়ে কারাভোগ করতে হয়েছে তার ৷ কিত্তু বার্ট্রান্ড রাসেলের জ্ঞানের গভীরতা ছিল অতুলনীয় ও অপরিমেয় ৷ তার রচিত বিশ্ব বিখ্যাত গ্রন্থ সমূহের অন্যতম ছিল Why I am not a Christian গ্রন্থটি ৷ রাসেল একজন মানবতাবাদী ব্যক্তিও ছিলেন ৷ তাই বিশ্বব্যাপী সহিংসতা , অন্যায় ,অবিচার , বৈষম্য , শাসকের হাতে শাসিতের অত্যাচার ,উৎপীড়ন ,শোষণ ,বঞ্চনা ; ব্যাক্তিমানুষের অজ্ঞতা , কুসংস্কার , ধর্মান্ধতা ও যুক্তিহীনতার বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন এবং উচ্চকণ্ঠে এসবের প্রতিবাদ করেছেন এবং নিজেও ব্যক্তিগতভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন ৷

কিত্তু ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনে তিনি প্রথম দিকে শান্তি পান নাই ৷ ৮০ বছর বয়সে তিনি যখন ৪র্থ বিয়ে করেন তখন থেকে পরবর্তি ১৮ বছর তিনি সংসার জীবনে যথেষ্ট সুখ ও শান্তিতে ছিলেন ৷এরই প্রেক্ষাপটে তার ঐ স্ত্রী এডিথের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করে একটি কালজয়ী কবিতা লিখে গেছেন ৷ এই কবিতাটি দিয়েই তার আত্মজীবনী লিখা আরম্ভ করেছেন ৷

বার্ট্রেন্ড রাসেলের ব্যক্তি পরিচয় হচ্ছে -তিনি ১৮৭২ সালের ১৮ মে ব্রিটেনের ওয়েলস -এর ট্রেলেক নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন এবং চার বছর বয়সের মধ্যেই পিতা ও মাতা হারিয়ে পিতামহ ও পিতামহীর কাছে মানুষ হন ৷অবশ্য তার পিতামহও তার ৬ বছর বয়সে মৃত্যু বরন করেন । পরে পিতামহী তারে মানুষ করেছিলেন ৷ ইংলেন্ডের এক ঐতিহ্যমন্ডিত পরিবারের বংশধর রাসেলের পিতামহ লর্ড জন রাসেল উনিশ শতকের মধ্যভাগে দুইবার ইংল্যাণ্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ৷

রাসেল ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজ থেকে গণিত ও দর্শনশাস্ত্রে প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন এবং ৩১ বছর বয়স থেকে বিশ্বমানের গ্রন্থসমূহ রচনা আরম্ভ করেন ৷

১৮৯৪ সালে ২২ বছর বয়সে এ্যালিস পিয়ারসল স্মীথ কে বিয়ে করেন এবং ১৭ বছর তার সঙ্গে সংসার করার পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে ৷ পরে ১৯২১ সালে ডোরা উইনফ্রেড ব্ল্যাককে বিয়ে করেন ৷ সে বিয়ে বেশীদিন ঠিকেনি ৷ তাই ১৯৩৫ সালে মিস প্যাট্রিসিয়া স্পেন্স নামক মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় ৷ কিত্তু তৃতীয় বারের মত এই দাম্পত্য জীবনও রাসেলের টিকে নি ৷ শেষ পর্যন্ত ৮০ বছর বয়সে ১৯৫২ সালে এডিথ ফিন্সকে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়ে তার জীবনের শেষদিন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুখের দাম্পত্য জীবন যাপন করেন এবং ১৮ বছর সুখের সংসার যাপনের পর ৯৮ বছর বয়সে ১৯৭০ সালের ২ ফেব্রুয়ারী বার্ট্রেন্ড রাসেল মৃত্যুকে বরণ করেন ৷ ( তথ্যসুত্র- World Philosophy) 

 

এখানে বিজ্ঞান ও নাস্তিকতার সাথে সম্পৃক্ত প্রায় শতাধিক বই এর দেখা পাবেন। ক্লিক করুন এখানে-  আমার সংগ্রহ

 

আরও পড়ুন

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!