ফেসবুক মেটাভার্স

𒆜🅼🅰🆁🅺 🅸🅽 🆃🅷🅴 🅼🅴🆃🅰🆅🅴🆁🆂🅴𒆜

Mark in the Metaverse নামক একটি আর্টিকেলে The Verge -মিডিয়ায় প্রকাশিত আজকের একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মার্ক জাকারবার্গ “মেটাভার্স নামক ” একটি নতুন কোম্পানির উন্মোচন করতে যাচ্ছেন । এ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পদক্ষেপ হবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ওয়ার্কস্পেস! নিউইয়র্ক টাইমে গতমাসে মেটাভার্সের সাথে সম্পৃক্ত প্রোডাক্ট “New Horizon” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অধিকাংশ মানুষের কাছেই মেটাভার্স ধারণাটি একদম এলিয়েন! অনেকে ভাবতে পারেন, ইনফ্লেশনারী থিয়োরিতে যে মেটাভার্সের কথা জনপ্রিয় সেটি আবার ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডে কিভাবে প্রবেশ করছে! আমরা এতদিন জেনে এসেছি মেটাভার্স মূলত সাইফাই মুভির একটি স্টাফ। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ফেসবুক মেটাভার্সের ধারণা একটু আলাদা। ফেসবুক মেটাভার্সের ধারণাটি সর্বপ্রথম, নীল স্টিফসন ১৯৯২ সালে তার Sci-fi উপন্যাস “স্নো ক্র‍্যাশে” ব্যবহার করেছিলেন। স্নো-ক্র‍্যাশ মেটাভার্স -এর মানে হলো, অনলাইন স্পেসে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শেয়ার! তিনি সেখানে এমন একটি জগতের কথা বলেছিলেন, যে জগতে আপনি সশরীরে না থেকেও ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে পারবেন! গুগল আর্থের ক্রিয়েটর জানান , স্টিফেনসনের, মেটাভার্সিক্যাল ওয়ার্ল্ডই মূলত তাকে গুগল আর্থ তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করেছিল!!

ফেসবুক মেটাভার্স

ফেসবুক মেটাভার্স আসলে কী?

মেটাভার্স হলো ইন্টারনেটের বিবর্তনের পরবর্তী স্ট্রেজ। এটি একটি ভার্চুয়াল জগত। বাস্তবতার সাথে ডিজিটাল রিয়েলিটির সংমিশ্রণ। যারাই মেটাভার্স ব্যবহার করবে তারা নিজেদের চেহারার সাথে মিল রেখে একটি অ্যাভাটর তৈরি করতে পারবেন। অ্যাভায়টরগুলোকে ব্যবহারকারীরা নিয়ন্ত্রণ করবেন। আপনার যদি একটি অ্যাভায়টর থাকে, তবে সেটি আপনার সাথে একইসময় ইন্টারনেটেও অস্তিত্বশীল থাকবে। আপনি এখন যেমন ফেসবুকে ছবি বা ভিডিও আপলোড করেন এটা সেরকম নয়, এখানে স্বয়ং আপনার একটি প্যারালাল সত্ত্বা কাজ করবে। আপনি হাঁটলে সেও হাঁটবে, আপনি কথা বললে সেও কথা বলবে। ফেসবুক “মেটাভার্স” হলো এমন একটি জগত যেটা অনেকটা হলোডেকের মত, এটা আপনার অনলাইন জগত, আপনি নিজেই অনলাইনের ভেতর একটি কম্পিউটেশনাল শরীর নিয়ে ঢুকে যাবেন, সেখান থেকেই আপনি অফিস এটেন্ড করতে পারবেন, কারো সাথে দেখা করতে পারবেন, বিশ্বের যেকোনো স্থানে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন, এমনকি চাইলে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন । আর এ কাজটা করতে হবে আপনাকে একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ব্যবহার করার মাধ্যমে।

মেটাভার্স নিয়ে জাকারবার্গ এর পরিকল্পনাঃ

সাম্প্রতিক CNBC TELIVISION- এর একটি সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গ বলেন, আমরা এমন একটি ইন্টারনেট সিস্টেম তৈরি করবো, যেখানে ব্যবহারকারী কন্টেন্ট দেখার পাশাপাশি নিজেই প্রেজেন্ট থাকতে পারবেন এবং ব্যবহারকারী অন্যদের সাথে উপস্থিত থাকার উপলব্ধিও পাবেন। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভেতরই তিনি থ্রি-ডায়মেনশনাল জগতে বিচরণ করবেন যেটা দ্বিমাত্রিক অ্যাপ ও ওয়েবফেজে সম্ভব না। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে, Infinite office তৈরি করার কাজে হাত দিয়েছে ফেসবুক। সেখানে আপনি নিজের পছন্দ মতো অফিস তৈরি করতে পারবেন, যেটা বাস্তব জগতে আপনার আর্থিক সীমারেখার বাহিরে সেটা আপনি ইনফিনিট অফিসে খুব সহযেই বাস্তবায়ন করতে পারবেন! জাকারবার্গ বলেন,

I think of the metaverse Next Generation of the Internet. So you can kind of think about it as, instead of being an internet that we look at, right, on our Mobil phone or computer screen, it’s an internet they we part of, Or that we Can be inside of!

কিভাবে মেটাভার্সের জগতে প্রবেশ করবেন?

“Horizon Workroom” এর মাধ্যমেই আপনি মেটা ভার্সে প্রবেশ করবেন এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে আপনার ব্যক্তিগত অফিস ও অ্যাভায়টরকে ডিজাইন করবেন। ওয়ার্করুমে, আপনি কম্পিউটার স্ক্রিন ও কিবোর্ড দেখতে পাবেন এবং কো-ওয়ার্কারের সাথে ইন্টারেক্ট করতে পারবেন, ব্রেইন ইলেক্ট্রিক্যাল স্ট্রোম ও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, কোভিড-১৯ এর প্যান্ডামিকের ভেতরই ফেসবুক এই ধারণাটিকে ইতোমধ্যে টেস্ট করা শুরু করেছে। কর্মীরা নাকি তাদের অ্যাভায়টরকে তাদের চোখের দৃষ্টি ও হাতের ঈশারা দিয়ে ডিজাইন করতে পারবেন। জাকারবার্গ বলেন, আমরা এ প্রোডাক্টটি ইন্টারনালি ব্যবহারও করেছি এরই মধ্যে। আপনি যদি এই “Horizon Workrooms” শুরু করতে চান তবে আপনাকে Oculus VR হেডসেট ক্রয় করতে হবে। “Quest2” যার সাম্প্রতিক মূল্য ২৯৯ ইউএস ডলার। একবার যখন আপনি হেডসেট ক্রয় করে ফেলবেন তখন আপনি “ফ্রী হরাইজন এপস ডাউনলোড” করতে পারবেন এবং যোগ দিতে পারবেন যেকোনো সময় ভার্চুয়াল ওয়ার্কপ্লেসে! মেটাভার্স- এর ধারণা যদিও এখন সম্পূর্ণ এলিয়েন! জাকারবার্গ বলেন, ৫-১০ বছরের মধ্যে এটা আইফোনের মতোই ন্যাচারাল হয়ে যাবে। হ্যাপ্টিক টেকনোলজি

তথ্যসুত্রঃ

hsbd bg