প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু
মূলপাতা বিজ্ঞানতাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু

প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
213 বার পঠিত হয়েছে

                           

WMAP   

অবিশ্বাস্য! যুগান্তরকারী! এ শব্দগুলো ২০০৩ সালে চরমভাবে উচ্চারিত শব্দগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো যখন এস্ট্রোফিজিক্সরা অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ব্যাখ্যা করেছিলেন। WMAP ( Wilkinson Microwave anisotropy probe) যার নামকরণ করা হয়েছিলো নেতৃত্বশীল কসমোলজিস্ট ডেভিড উইলকিনসনের নাম অনুসারে, ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে, বিজ্ঞানীদের প্রদান করেছে, অপ্রত্যাশিত সুনির্দিষ্টতার সাথে, মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ের বিস্তারিত বর্ণনা যে সময় ছিলো এতটাই প্রাচীন যে তখন মহাবিশ্বের বয়স ছিলো ৩৮০,০০০ হাজার বছর। মূল আগ্নিগোলক থেকে যে বিশাল শক্তি নিঃসৃত হয়েছিলো যা নক্ষত্র ও ছায়াপথের জন্ম দেয় মহাবিশ্বের চারপাশে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর যারা আবর্তিত হতে থাকে। আজ, অবশেষে সে মহাবিশ্বের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিস্তারিত সহকারে WMAP স্যাটেলাইট ফিল্মে বন্দী করে এবং এমন একটি মানচিত্র তৈরি করে যা আমরা পূর্বে কখনোই দেখিনি, যে ছবি মহাকাশ আমাদের দেখিয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর মাইক্রোওয়েভের বিস্তারিত সহকারে তা তৈরি করেছিল মহাবিস্ফোরণ নিজেই, যাকে Time Magazine বলেছিলো Eco Of The Creation! এস্ট্রোনোমাররা প্রথমবারের মতো মহাকাশকে সেদিন দেখেছিলো যা তারা পূর্বে কখনো দেখেনি। Institute for Advance Study at Princeton এর জন বাহকল বলেন, WMAP এর এ আবিষ্কার জোতির্বিজ্ঞানের সঠিক পথের প্রতিনিধিত্ব করে, জল্পনাকল্পনা থেকে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞানের। প্রথমবারের মতো, প্রাথমিক পর্যায়ের তথ্যের মহাপ্লাবন কসমোলজিস্টদের যথার্থতার সাথে একেবারে মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তর দিতে সক্ষম করে তুলেছিলো, সে প্রশ্ন যেগুলো আমাদের দ্বিধান্বীত ও আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছিলো যখন থেকে মানব সভ্যতা রাতের মহাকাশের স্বর্গীয় উজ্জ্বল সুন্দরের দিকে তাকিয়েছিলো। এ মহাবিশ্বের বয়স কত? এটি কীসের তৈরি? মহাবিশ্বের নিয়তি কী? ১৯৯২ সালে অতীতের স্যাটেলাইট COBE ( Cosmic Background Explorer Satellite) সর্বপ্রথম মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন যা মহাকাশ পরিপূর্ণ করে আছে তার একটি অস্পষ্ট ছবি দিয়েছিলো। যদিও এর ফলাফল ছিলো বৈপ্লাবিক আবার হতাশাজনকও কারণ এটি আমাদের কাছে মহাবিশ্বের যে ছবি উপস্থাপন করেছিলো সেটি ছিলো আমাদের দৃষ্টি ক্ষমতার অতীত। কিন্ত এটি আমাদের উত্তেজনার সাথে এমন একটি উপাদি দেয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনা যে এ ছবিটি ছিলো, ঈশ্বরের মুখমণ্ডল! কোবের সে অস্পষ্ট ছবি আমাদের কাছে যা উপস্থাপন করেছিলো তা ছিলো আমাদের দূর্বল মহাবিশ্বের “শিশুকালের ছবি”! যদি মহাবিশ্ব ১৮ বছর বয়সী একজন তরুণ হয় তবে, প্রথমে COBE আর তারপর WMAP, আমাদের কাছে তার এমন কিছু ছবি নিয়ে এসেছিলো যেগুলো ছিলো একদিনের চেয়েও কম বয়সী এলটি মহাবিশ্বের ছবি!প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু
 
 
 
যে কারণে WMAP স্যাটেলাইট আমাদেরকে শিশু মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ের ছবিগুলো দিতে সক্ষম হয়েছিলো সেটি হলো, মহাকাশ একটি টাইম মেশিন। কারণ আলো সসীম গতিতে পথ চলে, আমরা আকাশে যে নক্ষত্রগুলো দেখি সেগুলো হলো সে সব নক্ষত্র যা মহাকাশে একসময় ছিলো, সে সব নক্ষত্র নয় যারা আজ মহাকাশে আছে। চন্দ্র থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কিছুক্ষণ সময় লাগে, আমরা যখন চন্দ্রের দিকে তাকাই তখন আমরা কয়েক সেকেন্ড অতীতের চন্দ্রকে দেখি। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলোকে ট্রাভেল করতে আট মিনিট সময় লাগে। ঠিক একইভাবে অনেক পরিচিত নক্ষত্র যাদের আমরা প্রতিদিন মহাকাশে দেখছি তারা আমাদের থেকে সূদুর অতীতে কারণ তাদের আলো আমাদের রেটিনায় প্রবেশ করতে ১০ থেকে ১০০ বছর সময় লাগে। (অন্যকথায় বললে, তারা আমাদের পৃথিবী হতে ১০ থেকে ১০০ আলোকবর্ষ অতীতে শুয়ে আছে, এক আলোকবর্ষ হলো ছয় ট্রিলিয়ন মাইল দূরত্বের সমান!)। দূরবর্তী গ্যালাক্সি থেকে যে আলো আমাদের পৃথিবীতে আসে সেগুলো ১০০ মিলিয়নস থেকে বিলিয়ন্স লাইট ইয়ার্স দূরে! যে জন্যে সেগুলো ফসিল আলোর প্রতিনিধিত্ব করে, কিছু নিঃসৃত হচ্ছে এমনকি ডায়নোসরদেরও উদ্ভবের বহু পূর্বে! কিছু দূরবর্তী অবজেক্ট যা আমরা টেলিস্কোপের চোখে দেখি তার মধ্যে রয়েছে কোয়েসার,, বিশাল গ্যালাক্টিক ইঞ্জিন যা উৎপন্ন করছে অবিশ্বাস্য পরিমাণের শক্তি, যেগুলো শুয়ে আছে আমাদের গ্রহ থেকে ১২ থেকে ১৩ বিলিয়ন লাইট ইয়ার্স অতীতে আর এখন WMAP স্যাটেলাইট সনাক্ত করেছে এমন কিছু রেডিয়েশন যাদের উপস্থিতি তারও চেয়ে বহু পূর্বে, এটি তখনকার ছবি যখন একটি অগ্নিগোলক আমাদের এ ইউনিভার্স তৈরি করেছে! প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু
 
 
 
মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্যে, মহাবিশ্ববিদরা, মাঝেমাঝে Empire State Building এর দিকে তাকানোর একটি উদাহরণ ব্যবহার করেন, যার রয়েছে ম্যানহাটনে একশটিরও বেশি ফ্লোর। আপনি যদি উপর থেকে নিচে তাকান, আপনার পক্ষে স্ট্রেট লেভেল দেখাটা খুবই কষ্টকর হয়ে যাবে। যদি এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এর বেস মহাবিস্ফোরণের প্রতিনিধিত্ব করে তবে টেনথ ফ্লোর প্রতিনিধিত্ব করে দূরবর্তী গ্যালাক্সির। দূরবর্তী কোয়েসারদের অবস্থান এম্পায়ার স্টেটের সেভেন্থ ফ্লোরে। কিন্তু কসমিক ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন যা দিয়ে WMAP স্যাটেলাইট যথাযথভাবে মহাবিশ্বেরবয়স পরিমাপ করেছিলো সেগুলো এসেছিলো স্ট্রেটের কয়েক ইঞ্চি উপর থেকে। আর এখন WMAP স্যাটেলাইট আমাদেরকে মহাবিশ্বের সুনির্দিষ্ট পরিমাপ দিচ্ছে, বিষ্ময়করভাবে ১ শতাংশ যথার্থতার সাথে ; ১৩. ৭ বিলিয়ন বছর! WMAP মিশন ছিলো এস্ট্রোফিজিক্সের একশত বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল! ১৯৯৫ সালে WMAP স্যাটেলাইটের কনসেপ্ট সর্বপ্রথম প্রস্তাব করেছিলো নাসা যা দুই বছর পর অনুমোদিত হয়। জুন, ৩০,২০২১ সালে, নাসা WMAP স্যাটেলাইটকে ডেল্টা-২ রকেটে পৃথিবী ও চন্দ্রের মাঝখানে স্থাপন করেন। এর লক্ষ্য সতর্কতার সাথে লাগ্রারেন্স পয়েন্ট-২ তে স্থাপন করা হয়, স্যাটেলাইটটি সবসময় সূর্য,পৃথিবী ও চন্দ্রের থেকে দূরের কোনো একটি বিন্দুতে অবস্থান করতো যার ফলে এটি মহাবিশ্বকে সম্পূর্ণ অনিরুদ্ধ ভাবে দেখতে সক্ষম হয়েছিলো। এটি প্রতি ছয়মাসে সমগ্র মহাকাশকে স্ক্যান করতো। এর যন্ত্রানুসঙ্গ ছিলো স্টেট অব দ্যা আর্ট। তার ছিলো শক্তিশালী সেন্সর, এটি মহাবিস্ফোরণের পরবর্তী মহাবিশ্বকে ত্যাগ করে ছুটে আসা দূর্বল রেডিয়েশন ডিটেক্ট করতে পারতো। এর ছিলো দুটো ব্যাক টু ব্যাক টেলিস্কোপ যা মহাকাশের চারপাশের মাইক্রোওয়েভগুলোকে ফোকাস করতে পারতো। এটি ৪২৯ ওয়াট শক্তি দ্বারাই পরিচালিত হতো, যা পাঁচটি সাধারণ বৈদ্যুতিক বাতির জন্যে খরচ হয়, পৃথিবী থেকে মিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থান করার ফলে WMAP ছিলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের গোলযোগ থেকে মুক্ত যা দূর্বল মাইক্রোওয়েভগুলোকে আড়াল করে দিতে পারে এবং এর পক্ষে সম্ভব মহাবিশ্বের সম্পূর্ণ পাঠ। এ স্যাটেলাইটটি সম্পূর্ণ মহাকাশকে সর্বপ্রথম পর্যবেক্ষণ করেছিলো ২০০২ সালে। ছয়মাস পরে , দ্বিতীয়বার এটি সম্পূর্ণ মহাকাশকে পাঠ করে। আজ, WMAP স্যাটেলাইট আমাদের উপহার দিয়েছে সবচেয়ে বোধগম্য ও এসব রেডিয়েশনের বিস্তারিত পরিমাপ। ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন যা WMAP সর্বপ্রথম ডিটেক্ট করেছিলো তার ভবিষ্যয়বানী করেছিলেন জর্জ গ্যামো এবং তার গ্রুপ ১৯৪৮ সালে, এমনকি তিনি এ রেডিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত টেম্পারেচার সম্পর্কেও সে সময় বলে দিয়েছিলেন। WMAP এবসলিউট শূন্যের কাছাকাছি এ টেম্পারেচার পরিমাপ করেছেন অথবা ২.৭২৪৯ থেকে ২.৭২৫১ কেলভিনের ভেতর! অপ্রশিক্ষিত চোখের কাছে WMAP এর ম্যাপটিকে মনে হবে নিরস।   প্যারালাল ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু
 
 
 
 
This is a “baby picture” of the universe, as it was when it was only 380,000
years old, taken by the WMAP satellite. Each dot most likely represents a tiny
quantum fluctuation in the afterglow of creation that has expanded to create
the galaxies and galactic clusters we see today.
 
 
 
 
 
 
এটি শুধুমাত্র বিশৃঙ্খল কিছু বিন্দুর সমাহার। যাই হোক, এ বিন্দুর সমাহার কিছু এস্ট্রোনোমারকে কাঁদিয়ে ছেড়েছিলো, কারণ সেগুলো মহাবিশ্বের শুরুর দিকে মহাবিস্ফোরণ পর, প্রাথমিক পর্যায়ে যে নিষ্ঠুর মহাপ্লাবন ঘটেছিলো তার ফ্লাকচুয়েশন ও বিশৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছিলো। এ ক্ষুদ্র ফ্ল্যাকচুয়েশন ছিলো সে বীজের মতো যা তখন থেকে বিশালভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে ঠিক যেনো মহাবিশ্ব বাহিরের দিকে ছুটে চলছে। এখনো এ অতিক্ষুদ্র ফ্লাকচুয়েশন গ্যালাক্টিক ক্লাস্টার এবং স্বর্গের অন্যান্য গ্যালাক্সি থেকে নির্গত হয়। অন্যকথায়, গ্যালাক্টিক ক্লাস্টার এবং গ্যালাক্সি যা আমরা স্বর্গে প্রদীপ্ত হতে দেখছি সেগুলোও একসময় অতি-ক্ষুদ্র ফ্লাকচুয়েশনই ছিলো। আমরা এসব ফ্লাকচুয়েশনের ডিস্ট্রিবিউশন দেখে গ্যালাক্টিক ক্লাস্টারের উৎপত্তিকেও দেখতে পারি। বর্তমানে কিছু সায়েন্টিফিক ডাটা বিজ্ঞানমহলে ঝড় তোলে। প্রকৃতপক্ষে, আমি বলতে চাইছি যে আমরা কসমোলজির স্বর্ণযুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। প্যারালাল  ওয়ার্ল্ড-মিচিও কাকু
 

 

 

 

মহাবিশ্বের বয়স

THE AGE OF THE UNIVERSE
 
 
মহাবিশ্ববিদরা বিশেষ করে মহাবিশ্বের বয়স জানতে আগ্রহী। এক শতক ধরে, স্কলার, প্রিস্ট ও থিওলজিয়ানরা মহাবিশ্বের বয়স অনুমান করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন তাদের পূর্বসুরিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে। বিগত শতকে, জীববিজ্ঞানীরা পাথরের ভেতর সঞ্চিত রেসিডুয়াল রেডিয়েশন ব্যবহার করে পৃথিবীর বয়স অনুমান করেছিলো। আর অন্যদিকে, বর্তমানে WMAP স্যাটেলাইট স্বয়ং মহাবিস্ফোরণের প্রতিধ্বনি পরিমাপ করতে পেরেছে যা আমাদের কাছে মহাবিশ্বের অধিক গ্রহণযোগ্য বয়স প্রকাশ করেছে। WMAP ডাটা আমাদের বলছে, মহাবিশ্ব ১৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বে একটি নিষ্ঠুর বিস্ফোরণ থেকে তৈরি হয়েছে। কয়েক বছর যাবত, একটি অন্যতম বিব্রতকর ঘটনা যা কসমোলজিকে জর্জরিত করেছিলো তা হলো মহাবিশ্বের বয়সকে অনেক সময় নক্ষত্র ও গ্রহগুলোর বয়স থেকে কম গণনা করা হয়, কিছু তুচ্ছ ডাটা দ্বারা। পূর্বে অনুমানকৃত মহাবিশ্বের বয়স ১-২ বিলিয়ন বছর কম ছিলো যা ছিলো সরাসরি পৃথিবীর বয়সের সাথে সাংঘর্ষিক এবং দূরবর্তী নক্ষত্রের সাথে। এ সংঘর্ষ বর্তমানে কমে এসেছে। কিন্তু সম্ভবত WMAP এর ডাটাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মহান বিষ্ময় ছিলো সে সকল ডাটা যা সায়েন্টিফিক কমিউনিটিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিলো, মহাবিশ্বের ৭৪ শতাংশ, এবং সবচেয়ে বড় অংশই, সম্পূর্ণভাবে অজানা গঠনের ডার্ক এনার্জি দিয়ে তৈরি যে অদৃশ্য শক্তি ভ্যাকুয়াম স্পেসে লুকায়িত। আইনস্টাইন নিজে এর সাথে পরিচিত হয়েছিলেন ১৯১৭ সালে, পরে তিনি এটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল বলে, এটি ছিলো ডার্ক এনার্জি অথবা এনার্জি অব নাথিং অথবা শূন্যস্থান যা আবার মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি হিসেবে রি-এমার্জ হলো। বর্তমানে বিশ্বাস করা হয় যে ডার্ক এনার্জিই নতুন এন্টিগ্রেভিটি ফিল্ড তৈরি করে যা গ্যালাক্সিগুলোকে দূরে অপসারণ করে! মহাবিশ্বের আল্টিমেট নিয়তি নির্ধারণ করা হয় এ ডার্ক এনার্জি দিয়ে। এখনো পর্যন্ত কেউই জানেনা কোথায় থেকে এ Energy of Nothing এলো! খোলামেলাভাবে বললে আমরা এটিকে বুঝতে পারিনি। আমরা জানি এর প্রভাব কী কিন্তু আমরা সম্পূর্ণভাবে অজ্ঞান… ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ক্রেইগ হোগান বলেন, আমরা প্রত্যেকে এ ব্যাপারে অজ্ঞান। আমরা যদি সাব-এটমিক পার্টিকেলদের অত্যাধুনিক থিওরিকে গ্রহণ করি এবং এ অন্ধকার শক্তিকে গণনা করার চেষ্টা করি তবে আমরা একটি সংখ্যা খুঁজে পাই যা ১০√২০ এর মধ্যে (1 এর পর ১২০ টি জিরো)। থিওরি এবং এক্সপেরিমেন্টের মধ্যে যে অনৈক্য বিজ্ঞানের ইতিহাসে পাওয়া সবচেয়ে বড় শূন্যস্থান। বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি বিভ্রতকর পরিস্থিতি, আমাদের সবচেয়ে শেরা থিওরি সমগ্র মহাবিশ্বের ক্ষমতার সবচেয়ে বড় উৎস গণনা করতে পারেনি। সুনিশ্চিতভাবে, নোবেল প্রাইজের একটি শেলফ অপেক্ষা করছে সে ব্যক্তির জন্যে যিনি এ অন্ধশক্তির রহস্য উন্মোচন করতে পারবেন।
 
 
 
 
 
ইনফ্লেশনঃ

INFLATION

 
 
 
এস্ট্রোনোমাররা সবসময় WMAP এর ডাটাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এটি মহাবিশ্বের পুরানো ধারণাগুলো সরিয়ে দেয়।৷ চার্লস বেনেট বলেন, আমরা মহাবিশ্বের একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসামঞ্জস্যপূর্ণ থিওরির ( unified Coherent Theory of the Cosmos) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। যিনি WMAP এর ডাটাগুলো ব্যাখ্যা করার জন্যে মহাবিশ্বের একটি ঐক্যবদ্ধ থিওরি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। এখনো পর্যন্ত নেতৃত্বস্থানীয় থিওরি হলো “Inflationary Universe Theory” যেটি মহাবিস্ফোরণ তত্বের একটি বড় সংস্করণ যেটি সর্বপ্রথম MIT এর এলান গুথ প্রস্তাব করেন। ইনফ্লেশনারী দৃশ্যপটে, প্রথম সেকেন্ডের Trillion of Trillion সেকেন্ডে একপ্রকার রহস্যজনক অন্ধশক্তি আমাদের মহাবিশ্বকে আমাদের কল্পনার থেকেও দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত করেছিলো।
 
 

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগবে, আলোর থেকে দ্রুত গতিতে কোনোকিছু পথ চলতে পারেনা, তাহলে কিভাবে মহাবিশ্ব আলোর থেকে দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছিলো? আসলে, এটি আইনস্টাইনের স্পিড অব লাইট ভায়োলেট করেনি, আইনস্টাইন বলেছিলেন, কোনোকিছুই আলোর গতির থেকে দ্রুত গতিতে পথ চলতে পারেনা, কিন্তু মহাবিস্ফোরণের পরের মুহূর্ত কোনোকিছুই ছিলোনা, ছিলো শূন্যস্থান, কোনোকিছুই সম্প্রসারিত হয়নি, সম্প্রসারিত হয়েছে স্বয়ং এম্পটিস্পেস।

 
 
তাই এটিকে আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি লঙ্গন করতে হয়নি)। সময়ের অতি-ক্ষুদ্র ভগ্নাংশের ভেতর মহাবিশ্ব কল্পনাতীতভাবে Factor of 10√50  দ্বারা সম্প্রসারিত হয়েছিলো। আপনি যদি ইনফ্লেশনারী ক্ষমতাকে কল্পনা করতে চান তবে একটি বেলুনকে কল্পনা করুন যা অতিদ্রুততার সাথে সম্প্রসারিত হচ্ছে, যার সারফেচে (বেলুনের ত্বকে) গ্যালাক্সির ছবি অংকিত, যে মহাবিশ্বটিকে আমরা স্টার ও গ্যালাক্সিতে জনবসতি পূর্ণ দেখছি, এর ভেতরের অংশটিকে না দেখে। এবার আপনি বেলুনের উপর একটি মাইক্রোস্কোপিক বৃত্ত অংকন করুন।
 
 
 
 
 
এই অতিক্ষুদ্র বিন্দুটি আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বকে নির্দেশ করছে, এ ক্ষুদ্র বিন্দুটি নির্দেশ করছে ৯৮ মিলিয়ন লাইট ইয়ার্স আয়তনের এ পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে আমরা যা কিছু দেখছি তার সবকিছু! যদি আমাদের সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব একটি অতি-ক্ষুদ্র সাব-এটমিক পার্টিকেল হয় তবে Actuall Universe আমরা দৃশ্যমান ইউনিভার্সে যা কিছু দেখছি সবকিছু থেকে অনেক বড়। অন্যকথায় বললে, ইনফ্লেশনারী সম্প্রসারণ এতটাই তীব্র যে মহাবিশ্বের প্রায় সম্পূর্ণটাই আমাদের Visible Universe এর অতীতে রয়ে গেছে এবং অনন্তকালের জন্যে প্রকৃত মহাবিশ্ব আমাদের অজানায় দেখে যাবে!
 
 
 
 
 
এই ইনফ্লেশনক সুবিশাল (Enormous), যদিও বেলুনটি’ কে আমাদের কাছাকাছি অবস্থান থেকে সমতল ও স্থির মনে হবে, প্রকৃতপক্ষে WMAP পরীক্ষামূলক ভাবে এটিকে ভেরিফায়েড করেছে। ঠিক একইভাবে এ পৃথিবীকেও আমাদের কাছে সমতল মনে হয়, কারণ এর রেডিয়াস বা ব্যাসার্ধের তুলনায় আমরা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গুণ ক্ষুদ্র, আমাদের ইউনিভার্সকে আমাদের কাছে সমতল মনে হবে কারণ এটি অনেক সুবিশাল মাত্রায় বক্র হয়ে আছে সে বক্রতার কাছে আমরা এতটাই ক্ষুদ্র যে আমাদের কাছে এটাকে সমতলই মনে হয়! এটি অনুমান করার মাধ্যমে যে, আমাদের প্রাচীন মহাবিশ্ব ইনফ্লেশনের অধীনে ছিলো, যেকেউ কোন শ্রম ছাড়াই ব্যাখ্যা করতে পারে, ঠিক কেনো এটিকে ফ্ল্যাট ও ইউনিফর্ম মনে হয়। ইনফ্লেশন থিওরির উপর মন্তব্য করতে গিয়ে জোয়েল প্রিম্যাক বলেন, “No Theory as beautiful as this Ever been wrong before”
 
 
 
 
 
দ্যা মাল্টিভার্স

THE MULTIVERSE

 
 
 
ইনফ্লেশনারী ইউনিভার্স, যদিও WMAP এর ডাটার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, কিন্তু এটি একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি আর তা হলো, ইনফ্লেশনের কারণ কী? এন্টিগ্রেভিটি ফোর্সকে কে সেট আপ করেছে মহাবিশ্বকে সম্প্রসারণ করার জন্যে? এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ টি প্রস্তাব আছে যা ব্যাখ্যা করে সত্যিকার অর্থে কে ইনফ্লেশনকে Turned On করেছে এবং কিভাবেই বা এটি শেষ হয়? কিন্তু এখনো পর্যন্ত এর কোনো বিশ্বজনীন কনসেনশাস নেই। অনেক পদার্থবিজ্ঞানী রেপিড ইনফ্লেশনারী আইডিয়ার উপর নির্ভর করে কিন্তু ইনফ্লেইশনের ইঞ্জিনের পেছনে কোনো সুসঙ্গায়িত প্রস্তাব নেই! কারণ কেউই জানতোনা সত্যিকারে কিভাবে ইনফ্লেশন শুরু হয়, সবসময় এমন একটি সম্ভাবনা থাকে যে একই ম্যাকানিজম পূণরায় সংঘঠিত হবে এবং এই ইনফ্লেশনারি এক্সপেনসন বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এটি এমন একটি ধারনা যেটি রাশিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী আড্রেই লিন্ডে, স্টান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটি, দাবি করেছিলেন যে, যে ম্যাকানিজম মহাবিশ্বকে আকষ্মিক সম্প্রসারিত করেছিলো সেটি এখনো কাজ করছে। সম্ভবত বিশৃঙ্খলভাবে মহাবিশ্বের অন্যান্য দূরবর্তী প্রান্তগুলোকে সম্প্রসারিত করছে! এ তত্ব অনুসারে, মহাবিশ্বের অতিক্ষুদ্র একটি প্যাচ আকষ্মিক ইনফ্লেট হয় এবং শিশু মহাবিশ্ব বা কন্যা মহাবিশের কুড়ির অঙ্কুরোদগম হয়। যেটি হয়তোবা আবার শিশু মহাবিশ্ব গঠন করে এবং এ প্রক্রিয়া অনন্তকাল চলতে থাকে। কল্পনা করুন, আপনি একটি সোপ বাবল বাতাসে ছেড়ে দিয়েছেন , সেটি মাঝখানে বিভক্ত হয়ে দুটি বাবলে পরিণত হয়েছে। ঠিক একইভাবে মহাবিশ্বও হয়তো নতুন নতুন মহাবিশ্বের জন্ম দিচ্ছে। এ দৃশ্যপটে, মহাবিস্ফোরণ নিরবিচ্ছিন্নভাবে সংঘঠিত হচ্ছে, ঠিক যেনো একটি বাবল অনন্ত অসীম বাবলের মহাসমূদ্রে ভেসে আছে। প্রকৃতপক্ষে, ” ইউনিভার্স” আরো ভালো শব্দ ব্যবহার করলে এখানে রয়েছে মাল্টিভার্স বা মেগাভার্স! লিন্ডে এ থিওরিকে বলেছেন, Eternal , Self Producing Inflation কারণ তিনি কল্পনা করেছেন শেষহীন একটি প্রক্রিয়াকে, যেটিকে বলে কন্টিনিউয়াল ইনফ্লেইশন অব প্যারালাল ইউনিভার্স! ইনফ্লেইশন আমাদের কিছুটা ফোর্স করে যে, আমাদের উপর আছে মাল্টিভার্স- এলানগুথ ঘোষণা করেন, যিনি সর্বপ্রথম ইনফ্লেইশন থিওরি প্রস্তাব করেছিলেন!
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
এ থিওরি আরও বলে, আমাদের মহাবিশ্ব একদিন নিজেই নিজেকে শিশু মহাবিশ্ব হিসেবে জন্ম দেবে, সম্ভবত আমাদের ইউনিভার্সি প্রাচীন কোনো ইউনিভার্স থেকেই তার যাত্রা শুরু করে! রয়েল গ্রেট ব্রিটেনের এস্ট্রোনোমার, স্যার মার্টিন রিচ বলেন, আমরা যেটিকে মহাবিশ্ব বলি সেটি অনুষদের একটিমাত্র সদস্য। গণনাতীত সংখ্যক বিভিন্ন মহাবিশ্ব আছে যাদের “ল” অব ফিজিক্স আলাদা। আমরা যে মহাবিশ্বে আত্মপ্রকাশ করেছি তা অন্তর্ভুক্ত অস্বাভাবিক সাবসেট সহকারে যা জটিলতা ও চেতনার অনুমোদন করে। মাল্টিভার্সের নিয়ে এসব গবেষণা কার্যক্রম এমন কিছু জল্পনা কল্পনার জন্ম দিয়েছে, অন্যান্য মহাবিশ্বগুলো দেখতে কেমন, সেগুলো কি প্রাণের বিকাশের জন্যে উপযুক্ত, আমাদের পক্ষে কী সম্ভব তাদের সাথে কোন ভাবে যোগাযোগ করা? গণনা সম্পাদন করেছেন প্রিন্সটনের, এম আইটি Cal Tech সায়েন্টিস্ট এবং অন্যান্য Center of learning এটা নির্ধারণ করার জন্য যে, প্যারালাল ইউনিভার্সে প্রবেশ করাটা “ল” অব ফিজিক্সের জন্যে Consistent কি না!
 
 
এম থিওরি এন্ড দ্যা ইলেভেন্থ ডায়মেনশন

M-THEORY AND THE ELEVENTH DIMENSION

 
 
প্যারালাল ইউনিভার্স সম্পর্কে যে সকল ধারণা সেগুলোকে বিজ্ঞানী, রহস্যবাদী, শার্লাতানস এবং ক্র্যাংক্সরা সন্দেহের চোখে দেখতেন। সমান্তরাল মহাবিশ্ব নিয়ে কাজ করার মতো সাহসি কোনো বিজ্ঞানী ছিলেন সবার উপহাসের পাত্র এমনকি তাদের পেশাগত জীবন বিপন্ন হয়ে গেছে এমনকি আজ পর্যন্ত প্যারালাল ইউনিভার্সের এক্সপেরিমেন্টাল কোনো প্রমাণ নেই! কিন্ত খুব সাম্প্রতিক, জোয়ার নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন হয়েছে, গ্রহের সবচেয়ে দারুণ মনগুলো অস্থিরতার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এই আকষ্মিক পরিবর্তনের কারণ হলো কিছু নতুন থিওরির আগমন স্ট্রিং থিওরি এবং এর সাম্প্রতিক ভার্সন, M-Theory, যেটি শুধুমাত্র মাল্টি ভার্সের ন্যাচার আনর্যাবেল করার জন্যে কাজ করছে না, এটি আমাদেরকে ঈশ্বরের মন পড়ার অনুমতি প্রদান করছে, আইনস্টাইন যেমন একবার স্পষ্ট ভাবে করেছিলেন! এটি যদি সঠিক প্রমাণিত হয় তবে বিজ্ঞানের গবেষণায় বিগত দুই-হাজার বছরের অর্জনকে মুকুট পড়ানো হবে গ্রীকরা যখন শুরু করেছিল মহবিশ্বের সুসংহত ও বিস্তৃত একটি তত্ব!
স্ট্রিং থিওরি ও এম থিওরির উপর যে পরিমাণ পেপার প্রকাশ হয়েছিলো তা বিষ্ময়কর, এর পরিমাণ ১০ হাজার! একশটির মতো ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স এই সাবজেক্টের উপর সংঘঠিত হয়েছে। বিশ্বের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় স্ট্রিং থিওরি নিয়ে গ্রুপ স্টাডি করেছে এবং অনেক সময় আলাদা আলাদাভাবে এটিকে বুঝতে চেয়েছে, যদিও এ থিওরিটি আমাদের সাম্প্রতিক দূর্বল ইনস্ট্রুমেন্ট দ্বারা পরীক্ষারযোগ্য নয়, এটি বিশালাকার পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও এক্সপেরিমেন্টালিস্টদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের এবং আশার জন্ম দিয়েছে যে ভবিষ্যতে শক্তিশালী কোনো গ্রেভিটি ওয়েভ ডিটেক্টর ও বিশাল এটম স্মেচার দিয়ে আউটারস্পেসে এটিকে পরীক্ষা করবে! আল্টিমেটলি এ থিওরি সম্ভবত সে প্রশ্নের উত্তর দেবে যে প্রশ্নটি মহাবিস্ফোরণ তত্ব প্রস্তাবের পর থেকেই মহাবিশ্ববিদদের নির্যাতন করছে, মহাবিস্ফোরণের পূর্বে কী ছিলো? এ জন্যে আমাদের ফিজিক্যাল নলেজের চুড়ান্ত শক্তি প্রয়োজন এবং প্রতিটি বস্তুগত আবিষ্কার যা আমরা এক শতাব্দী ধরে সঞ্চয় করেছি। অন্যকথায়, আমাদের প্রয়োজন Theory of Everything, মহাবিশ্বের সকল ফিজিক্যাল ফোর্সের থিওরি যা আমাদের মহাবিশ্বকে পরিচালিত করে। আইনস্টাইন তার জীবনের শেষ ত্রিশ বছর এ থিওরির পেছনে ছুটে বেড়িয়েছেন কিন্তু আল্টিমেটলি তিনি ব্যর্থ হোন।
বর্তমানে, নেতৃত্বশীল থিওরি (এবং একমাত্র) যেটি ফোর্সগুলোর বৈচিত্রতা ব্যাখ্যা করে সেটি হলো স্ট্রিং থিওরি এবং তার সাম্প্রতিক অবতার, M- Theory, M-theory। (M= Membrane কিন্তু এর দ্বারা অনেক সময় “Mystery”, ” Magic” “Mother” ও বোঝায়) যদিও M-Theory এবং স্ট্রিং থিওরি আসলে একই কিন্তু মেমব্রেন থিওরি বা এম থিওরি অনেক বেশি রহস্যজনক এবং অনেক বেশি নমনীয় যা বিভিন্ন থিওরিকে একতাবদ্ধ করে! অনেক পূর্বে একজন গ্রীক দার্শনিক মনে করতেন, বস্তুর চুড়ান্ত বিল্ডিং ব্লক হয়তো অতিক্ষুদ্র পার্টিকেলের তৈরি যেগুলোকে এটম বলে। বর্তমানে আমরা আমাদের শক্তিশালী এটম স্মাচার ও পার্টিকেল এক্সিলারেটরের মাধ্যমে স্বয়ং এটমকে ইলেক্ট্রন ও নিউক্লিতে ভেঙে ফেলতে পারি, যেগুলোকে আরো ক্ষুদ্র সাব-এটমিক পার্টিকেলে ভাঙা সম্ভব। কিন্তু আমরা কোনো নমনীয় ও সাধারণ ফ্রেমওয়ার্ক পাওয়ার পরিবর্তে, শত শত পার্টিকেল দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো যা আমাদের এক্সিলারেটর থেকে প্রবাহিত হচ্ছিলো, কোয়ার্ক্স, মেসনস,লেপটন, হ্যাড্রনস, গ্লুওন, ডাবলু- বোসনস এবং তাই সামনে এর প্রকৃতিকে বিশ্বাস করা খুবই কঠিন, এই ফান্ডামেন্টাল লেভেলে, এটি বিভ্রান্তিকর ও অদ্ভুত সাব-এটমিক পার্টিকেল ক্রিয়েট করতে পারে! স্ট্রিং থিওরি ও এম-থিওরি সরল ও নমনীয় ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত, যে অদ্ভুত ও বিষ্ময়কর পার্টিকেলগুলো আমাদের মহাবিশ্বকে তৈরি করেছে সেগুলো ভায়োলিনের এক একটি নোটের মত যা আমরা বাজানোর সময় তৈরি করি অথবা ড্রাম বা তবলার মাথায় ভাইব্রেশন থেকে সৃষ্ট একপ্রকার ঝিল্লি বা মেমব্রেন (এগুলো কোনো সাধারণ স্ট্রিং ও মেমব্রেন নয়; এগুলো অস্তিত্বশীল টেন থেকে ইলাভেন্থ ডায়মেনশনাল হাইপারস্পেসে)। ঐতিহ্যগতভাবে, পদার্থবিজ্ঞানীরা এটমকে একটি পয়েন্ট পার্টিক্যাল হিসেবে দেখতো। তারমানে, পদার্থবিজ্ঞানীরা এমন কিছু আলাদা আলাদা পয়েন্ট পার্টিকেল পেয়েছিলেন যাদের প্রত্যেকের ছিলো শতাধিক সাব-এটমিক পার্টিকেল যা ছিলো খুবই বিভ্রান্তিকর। কিন্তু স্ট্রিং তত্ব অনুসারে, আমাদের যদি একটি সুপার মাইক্রোস্কোপ থাকতো তা ইলেক্ট্রনের অন্তর ভেদ করতে পারে তবে আমরা দেখতাম এটি কোনো পয়েন্ট পার্টিকেল নয়,অতিক্ষুদ্র কম্পমান স্ট্রিং, এটাকে আমাদের কাছে শুধু এ জন্য পয়েন্ট পার্টিকেল মনে হয় কারণ আমাদের যন্ত্র খুবই অপরিশোধিত! God অতি-ক্ষুদ্র স্ট্রিং, বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সিতে ভাইব্রেট করে এবং রিজোন্যান্স তৈরি করে। আমরা যদি এই কম্পমান স্ট্রিংগুলোকে প্লাক ( টানা) করি, এটি তার মুড চেঞ্জ করবে এবং নতুন কোনো সাব- এটমিক পার্টিকেল তৈরি করবে।যেমন- কোয়ার্ক।এটাকে আবার প্লাক করুন এটি নিউট্রনে টার্ন করবে, এ পদ্ধতি’ তে, আমরা সাব-এটমিক পার্টিক্যালের তৈরি এক খন্ড পাথরকে বিভিন্ন মিউজিক্যাল নোট হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারি। আমরা এখন ল্যাবরেটরিতে দেখা শতাধিক সাব-এটমিক পার্টিকেলকে একটি অবজেক্ট হিসেবে প্রকাশ করতে পারি, The String! এই ভোকাবুলারিটি, পদার্থ বিজ্ঞানের সুত্র, যত্নের সাথে গঠন করেছেন হাজার বছরের এক্সপেরিমেন্টেশন থেকে, আর অন্যকিছুই নয়, কেবলমাত্র “Law of Harmony” একদিন স্ট্রিং ও মেমব্রেনকে লিখবে।”Law of Chemistry” আর কিছুইনা মেলোডি ছাড়া যা এ স্ট্রিংগুলো Play করে। এ মহাবিশ্ব স্ট্রিং এর সিম্পোনি এবং Mind of God যা আইনস্টাইন অলঙ্কারিকভাবে লিখেছিলেন, is Cosmic Resonating throughout Hyperspace! ( এখান থেকে আরো একটি প্রশ্নের জন্ম হয় যদি মহাবিশ্ব স্ট্রিং এর সিম্পোনি হয় তবে এর কম্পোজার কে!)
 
 
 
 
 মহাবিশ্বের সমাপ্তি
THE END OF THE UNIVERSE
 
 
WMAP শুধুমাত্র আমাদেরকে প্রাচীন মহাবিশ্বের যথাযথ আভাসই দেয়নি, এটি এমনকি আমাদের বলেছিলো, কিভাবে আমাদের ইউনিভার্স এক সময় মৃত্যুবরণ করবে! যে রহস্যজনক এন্টিগ্রেভিটি ফোর্স মহাবিশ্বকে একসময় শুরুর দিকে ধাক্কা দিয়েছিলো ঠিক একই এন্টিগ্রেভিটি ফোর্স এখনো মহাবিশ্বকে তার অন্তিম পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে এস্ট্রোনোমাররা মনে করতো যে, আমাদের মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ একদিন ক্রমশ স্তব্দ হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা এখন বুঝতে পেরেছি যে মহাবিশ্ব আসলে গ্যালাক্সিগুলোকে নিয়ে গতিশীল যেগুলো একে অপরের থেকে ক্রমবর্ধমানভাবে দূরে সরে যাচ্ছে। যে ডার্ক এনার্জি, যা মহাবিশ্বের ৭৩ পার্সেন্ট ম্যাটার ও এনার্জিকে তৈরি করেছে, সে এনার্জি গ্যালাক্সিগুলোকে ক্রমাগত দূরে ঠেলে দিচ্ছে।স্পেস টেলিস্কোপ ইনস্টিটিউটের অ্যাডাম রিচ বলেন, মহাবিশ্ব হলো একজন ড্রাইভারের মতো যে স্টপ লাইট দেখে থেমে যায় এবং যখন গ্রীন লাইট থেকে তখন সে তার এক্সিলারেটরকে উত্তপ্ত করে। যতদিন পর্যন্ত কোনোকিছু এ সম্প্রসারণকে উল্টে দেবে না (Reverse) , ১৫০ বিলিয়ন বছরের মধ্যে আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সম্পূর্ণ একা হয়ে যাবে, সাথে ৯৯?৯৯৯৯৯ শতাংশ নিকটবর্তী গ্যালাক্সি আমাদের দৃশ্যমান মহাবিশ্বের কিনারায় চলে যাবে! আমাদের রাতের মহাকাশের এ নক্ষত্রগুলো আমাদের থেকে এত দূরে চলে যাবে যে তাদের আলো বিলিয়ন বিলিয়ন লাইট ইয়ার্স অতিক্রম করে আমাদেরকে আর স্পর্শ করবেনা, সকল গ্যালাক্সি অদৃশ্য হয়ে যাবে আমাদের হাবল টেলিস্কোপের দৃষ্টির সীমার বাহিরে! তবে তারা স্বয়ং অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে না..! তারা শুধু এতটাই দূরে সরে যাবে যে আমাদের হাবল টেলিস্কোপের যান্ত্রিক চোখ অবারিত মহাশূন্যে পর্যবসিত হবে! যদিও আমাদের মহাবিশ্বে বর্তমানে ১৫০ বিলিয়ন গ্যালাক্সি আছে, লোকাল সুপার ক্লাস্টার গ্যালাক্সিতে মাত্র তার কয়েক বিলিয়ন দৃশ্যমান হয়েছে! সময়ের আরো সম্মুখে, আমাদের লোকাল ক্লাস্টারে মাত্র ত্রিশটি গ্যালাক্সি দৃশ্যমান হবে, আমাদের সম্পূর্ণ দৃশ্যমান মহাবিশ্ব থেকে বিলিয়ন গ্যালাক্সি দিগন্তের প্রান্ত সীমায় হারিয়ে যাবে। ( এর কারণ, আমাদের লোকাল গ্রুপের গ্রেভিটি এই এক্সপেনসনকে অতিক্রম করতে পারবে, দূর্ভাগ্যবশত, দূরের গ্যালাক্সিগুলো আমাদের চোখের শেষ সীমায়, শূন্যতায় মিলিয়ে যাবে, সে অন্ধকার যুগে যে এস্ট্রোনামার বাস করবে সে, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ডিটেক্ট করতে পারবেনা যেহেতু লোকালগ্রুপের গ্যালাক্সিগুলো আভ্যন্তরীণভাবে একে অপরের থেকে দূরে সরে যাবে না! সুদূর ভবিষ্যতে, একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী রাতের মহাকাশকে ব্যাখ্যা করবে কোনপ্রকার মহাসম্প্রসারণকে অনুভব না করেই এবং সিদ্ধান্তে উপনিত হবে যে মহাবিশ্ব স্থির এবং এর রয়েছে মাত্র ত্রিশটি গ্যালাক্সি।) যদি এন্টিগ্রেভিটি ফোর্স গতিশীল থাকে, মহাবিশ্ব আল্টিমেটলি একটি বিশাল ফ্রিজে মৃত্যুবরণ করবে। মহাবিশ্বের সকল বুদ্ধিমান জীবন শেষ পর্যন্ত একটি যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুতে হিমশীতল হয়ে যাবে, ডিপ স্পেসের তাপমাত্রা পরম শূন্যের (Absolute Zero) কাছাকাছি চলে যাবে যেখানে মলিকিউলগুলোর আন্দোলিত হতে কষ্ট হয়ে যাবে। কোন এক বিন্দুতে আজ থেকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন বছর পর নক্ষত্রগুলোর আলো ফুরিয়ে যাবে। তাদের পরমাণবিক আগুন নিভে যাবে, তারা তাদের জ্বালানি শেষ করে দেবে, চিরকালের জন্যে মহাকাশ অন্ধকার হয়ে যাবে। মহাজাগতিক সম্প্রসারণ শুধুমাত্র ঠান্ডা, জীবনহীন, ব্লাকহোল ও শ্বেত বামনে পরিপূর্ণ মৃত একটি মহাবিশ্ব ত্যাগ করে যাবে। এমনকি আরো ভবিষ্যতে , ব্লাকহোল তার এনার্জি বাষ্পীভবন করে ফেলবে এবং ফেলে রেখে যাবে জীবনহীন প্রাথমিক কণা প্রবাহিত ঠান্ডা কুয়াশা! এ ধরণের নিরানন্দ ঠান্ডা মহাবিশ্বে, বুদ্ধিমান প্রাণের অস্তিত্ব সকল বোধগম্য থিওরি অনুযায়ী অসম্ভব। লোহ কঠিন থার্মো ডায়নামিক্সের সুত্রগুলো সেই পরিবেশে কোনো ইনফরমেশন ট্রান্সপার হতে দেবে না। সর্বপ্রথম অনুধাবন যে মহাবিশ্ব একসময় বরফে মৃত্যুবরণ করবে সেটি তৈরি হয়েছিলো আঠার শতকে! একটি হতাশাজনক কনসেপ্টের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে যে, ফিজিক্সের সুত্র সম্ভবত একদিন সকল প্রাণকে হত্যা করবে! চার্লস ডারউইনকে লিখেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে মানব সভ্যতা একদিন এখনকার চেয়ে অনেক বেশি পরিপূর্ণ সৃষ্টিতে পরিণত হবে কিন্তু এটি একটি অসহ্যকর চিন্তা যে সকল বুদ্ধিমান সত্ত্বা এত দীর্ঘ সময় ধরে চলমান প্রক্রিয়ায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে , দূর্ভাগ্যজনক ভাবে, WMAP এর সাম্প্রতিক ডাটা ডারউনের ভয়কে নিশ্চিত করে!সেপিয়েন্স থেকে হোমো ডিউস
 
 

হাইপারস্পেসে এসকেপ করুন

ESCAPE INTO HYPERSPACE

 
 
 
এটি হলো পদার্থ বিজ্ঞানের সুত্র যে বুদ্ধিমান প্রাণী মহাবিশ্বের সাথে একদিন মৃত্যুমুখে পতিত হবে। আবার এটি হলো ইভোলুশনারি সুত্র পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে, জীবন অবশ্যই নিজেকে পূর্বের অবস্থা থেকে সরিয়ে নেবে, এডাপ্ট হবে ও মারা যাবে। কারণ এটা কখনোই সম্ভব নয় এমন কোনো মহাবিশ্বে টিকে থাকা যেটি মরে ঠান্ডা হয়ে গেছে, একটাই বিকল্প মৃত্যু, অথবা মহাবিশ্ব ছেড়ে চলে যাওয়া। যখন আমরা চুড়ান্ত মৃত্যুমুখে পতিত হবো, এটি কী সম্ভব যে এমন একটি সভ্যতা যা আমাদের থেকে ট্রিলিয়ন বছর এগিয়ে তারা প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে ফেলবে আমাদের মহাবিশ্বকে ডাইমেনশনাল লাইফবোটে ছড়ে অতিক্রম করার এবং এমন কোনো মহাবিশ্ব অবতরণ করা যে মহাবিশ্ব এ মহাবিশ্বটি থেকে অনেক বেশি তরুণ? অথবা তারা কী কোনো সুপারিয়র টেকনোলজি ব্যবহার করবে যার মাধ্যমে তারা টাইম ওয়ার্প (Time Warp) তৈরি করতে পারবে এবং পূণরায় তারা তাদের অতীত মহাবিশ্বে ফিরে আসবে যখন সাম্প্রতিক এ মহাবিশ্বের টেম্পারেচার ক্রমগত উত্তপ্ত হতে থাকবে? কিছু পদার্থ বিজ্ঞানী একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সম্ভাবনা প্রস্তাব করেছেন। যদিও চুড়ান্তস্তরের অনুমান নির্ভর স্কিম, অত্যাধুনিক ফিজিক্স ব্যবহার করে ডায়মেনশনাল পোর্টালের উপর বাস্তবসম্মত দৃষ্টি স্থাপনের মাধ্যমে অথবা অন্যকোনো মহাবিশ্বের দুয়ার খুলে। সমস্ত বিশ্বজুড়ে ফিজিক্সের ল্যাবরেটরিগুলো বিভিন্ন এবস্ট্রাকট ইকুয়েশনে পরিপূর্ণ। একজন ফিজিসিস্ট হিসেবে এক্সোটিক এনার্জি আছে কি নেই এবং ব্লাকহোলের ভেতর দিয়ে অন্য মহাবিশ্বে যাওয়ার কথা অবশ্যই গণনা করবো। সম্ভবত কোনো উন্নত সভ্যতা যারা আমাদের টেকনোলজির  মিলিয়ন থেকে বিলিয়ন বছর সামনে তারা হয়তো ফিজিক্সের সুত্রকে অন্য মহাবিশ্বে প্রবেশের জন্যে নিয়জিত করবে! কেম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটির জোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেন, ওয়ার্মহোল, যদি সেগুলোর অস্তিত্ব থাকে তবে, সেগুলো রেপিড স্পেস ট্রাভেলের জন্য আদর্শ হবে। আপনি হয়তো ওয়ার্মহোলের ভেতর দিয়ে গ্যালাক্সির অন্য পাশে চলে যেতে পারবেন এবং ডিনারের পূর্বেই ফিরে আসতে পারবেন। কিন্তু যদি ওয়ার্মহোল এবং ডায়মেনশনাল পোর্টাল খুব সহযভাবে অনেক ক্ষদ্র হয় মহাবিশ্ব প্রস্তান করার ক্ষেত্রে তবে সেক্ষেত্রে বিকল্প একটি পথ আছে, মলিকিউলার লেভেল থেকে উন্নত ও বুদ্ধিমান কোন সভ্যতার সামষ্টিক ইনফরমেশন রেডিউস করা এবং এটিকে প্রবেশ পথে স্থাপন করা যেখানে এ তথ্যগুলো অন্যপাশে নিজেদের আবার পূণরায় জাগ্রত করবে! এ পদ্ধতিতে, একটি পুরো সভ্যতা তাদের বীজকে ডায়মেনশনাল গেটওয়েতে ইনজেক্ট করবে, তার পুরো ঐশ্বর সহকারে!হাইপারস্পেস থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সের জন্যে না খেলে সম্ভবত সম্পূর্ণ মানব সভ্যতার চুড়ান্ত মুক্তি হবে। কিন্তু এ ইভেন্টের তাৎপর্য পুরোপুরিভাবে বুঝে উঠার পূর্বে আমাদের সর্বপ্রথম বুঝতে হবে কিভাবে কসমোলজিস্ট ও ফিজিসিস্টরা শ্রমসাধ্যভাবে এমন একটি হতবুদ্ধিকর সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। প্যারালাল ওয়ার্ল্ডের কোর্সে, আমরা কসমোলজির এ ইতিহাস Review করবো, সে প্যারাডক্সের উপর জোর দিয়ে যা বহু বছর এ ফিল্ডটিকে আক্রান্ত (Infested) করে রেখেছে, আমরা ইনফ্লেশনের চুড়ান্তে চলে যাবো যেখানে সকলপ্রকার সুসঙ্গত ডাটা, আমাদেরকে মাল্টি ইউনিভার্সের কনসেপ্ট উপভোগ করতে বাধ্য করবে।
 
 

তথ্যসুত্র-

 
 
 
 
 
 
 

আরও পড়ুন

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!