Last updated:

পুরুষ নারীদের তুলনায় অনেক বেশি সাহসী ও শক্তিশালী হয়… আর নারীদেরকে মনে হয় পুরুষের চেয়ে দূর্বল। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে তাদের মধ্যে স্বার্থপরতা কম ও তারা অনেক কোমল হয়, হেলেন ফিশার বলেন।
 
 
১৯৭১ সালে ডারউইন লিখেছেন, পুরুষ আগ্রাসী আর নারী যত্মশীল। তিনি বলেছিলেন, এ জেন্ডার কোয়ালিটি মানব সভ্যতার জন্মগত অধিকার। ডারউইন আরো মনে করতেন, পুরুষ প্রাকৃতিকভাবেই অনেক বেশি স্মার্ট। তাদের বুদ্ধিমত্তা সুপারিয়র। তিনি বলেন, তাদের এ বুদ্ধিমত্তা জাগ্রত হয়েছিলো কারণ তারা নারীদের পাওয়ার জন্য শত শত পুরুষের সাথে যুদ্ধ করেছিল আর যুদ্ধে সে সকল পুরুষই উত্তীর্ণ হয়েছিল যারা অধিক দক্ষ ও বুদ্ধিমান। আর তারাই নারীর শরীরে তাদের ডিএনএ ইনপুট করতে পেরেছিল। আর এভাবেই পুরুষ নারীর চেয়ে বুদ্ধিমান হয়ে উঠে। তার মতে আমাদের প্রাচীন পূর্বসূরী পুরুষরা পরিবারকে প্রতিরক্ষা করতো, শিকার করতো, শত্রুদের আক্রমণ করতো, অস্ত্র তৈরি করতো, পুরুষদের প্রয়োজন ছিল উচ্চমাত্রিক মেন্টাল ফ্যাকাল্টি, বিশেষ করে তাদের অবজার্ভেশন, রিজন, ইনভেনশন ও ইমাজিনেশন।
 
 
 
আর এভাবে তিনি সিদ্ধান্তে আসেন, So Through ancestral competition among males and the survival of the fittest, Intelligence evolved___in men. ডারউইন এ গ্রহের সর্বত্র আগ্রাসী ও বুদ্ধিমান এডাম ও ভদ্র ও সাধারণ ইভকে দেখেছিলেন।রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, শিল্পি এবং ভিক্টোরিয়ান ইংল্যান্ডের দার্শনিক সবাই দুর্দমনীয়ভাবে পুরুষ। কিন্তু পাউল ব্রোকা, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফ্রেন্স নিউরোলজিস্ট এবং এ ফিল্ডের কতৃপক্ষ এই বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন যে, নারীরা বুদ্ধিভিত্তিকভাবে সংকীর্ণ বা তাদের বুদ্ধি সীমাবদ্ধ। তিনি একশতজন নারী ও পুরুষের ব্রেনের ওজন গণনা করে বলেছিলেন, নারীরা গড়ে পুরুষের থেকে কম বুদ্ধিমান, এ পার্থক্যকে আমরা অতিরঞ্জিত করতে পারিনা কিন্তু এটি রিয়েল। ব্রোকা এই গণনাটিকে সংশোধন করেননি নারীদের ছোট শারীরিক আকারের কারণে। হেলেন ফিশার বলেন, তিনি অনবদ্য এক “Correction Formula ” ব্যবহার করেছেন যে ফরাসীরাও জার্মানের মতো শক্তিশালী। কিন্তু তিনি নারীদের খুলির প্রয়োজনীয় গাণিতিক সমন্বয় করেননি। যাইহোক সবাই এটা জানে যে নারীরা বোদ্ধিক ভাবে দূর্বল ; আর এর কারণ হল সময়ের ক্লাইম্যাট।
 
এ যৌনবাদী ক্রিডো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। ১৯২০ সালে বিখ্যাত নৃতাত্ত্বিক মার্গারেট মিট যিনি ছিলেন একজন নেতৃত্বস্থানীয় বুদ্ধিমান, তিনি ন্যাচারের উপর নার্চারের প্রাধান্যকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। পরিবেশকে তিনি বলেন, ঢালাই করা ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৩৫ সালে লিখেন, আমরা হয়তো বলতে পারি, ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য যেগুলোকে আমরা নারীত্ব ও পুরুষত্ব বলি, এগুলো খুব প্রবলভাবে সেক্স ও ক্লোথিং এর সাথে সম্পৃক্ত শিষ্টাচার এবং অলঙ্কারের আকার যা একটি নির্দিষ্ট সময়কালে একটি সমাজ উভয়লিঙ্গকে প্রদান করে। মিডের এ মেসেজ আশার আলো সঞ্চারিত করে, সংখ্যালঘু, অভিবাসী ও দারিদ্রদের মাঝেও, আর এভাবে এ বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে যে মানুষ আসলে সমান।
 
কিছু কিছু সংস্কৃতিতে নগ্নতাই নারী ও পুরুষের অর্নামেন্টস, প্রাণীদের ক্ষেত্রে আমরা মৌলিক একত্ব খুঁজে পাবো। সমাজ ও লালন পালনই নারীকে নারী ও পুরুষকে পুরুষ করেছে।১৯৩০ সালে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের বন্যা নেমে আসে যে, নারী ও পুরুষ সহযাতভাবে একই।
 
তারপর আবার নতুন ডেটা এসে উপস্থিত হয়। আজ প্রায় সকল শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মানুষ জানে যে, সেক্সের দিক থেকে গড়ে কিছু পার্থক্য আছে। তাছাড়া, কিছু জেন্ডারের পার্থক্য আমাদের ব্রেন স্ট্রাকচার ও হর্মোন থেকে সৃষ্টি হয় যা মায়ের গর্ভেই উন্নত হয়ে থাকে অথবা একজীবনে হর্মোনের প্রবাহ থেকে। যখন ডিম স্পার্মের সাথে মিট করে, তখন ভ্রুণ নারী বা পুরুষ কোন লিঙ্গের মধ্যেই থাকেনা।
 
কিন্তু ভ্রুণের জীবনের ছয় সপ্তাহের মাথায় জেনেটিক সুইচ টুচকি মারে এবং ওয়াই ক্রোমোজোমের SRY gene গোনাডের পূর্বসূরিকে টেস্টিস উন্নত করার জন্য নির্দেশ দেয় যদি শিশুটি বালক হয়। এই পৃথক টেস্টিসগুলো শিশুটির ভ্রুণটি তৈরি করে। এবং এ ক্ষমতাবান হর্মোন এমব্রায়োনিক টিস্যুতে ঢেউ তোলে শিশুটির জীবনের তৃতীয় মাসে, এটি পুরুষাঙ্গ তৈরি করে এবং পুরুষের মস্তিষ্কের কিছু অংশ। যদি ভ্রুণটি মেয়ে হয় এটি পুরুষের হর্মোনকে স্টিমুলেট না করেই নারীতে পরিণত হয় এবং অনেকেই বিশ্বাস করেন এক্স-ক্রোমোজোমের DAX-1 জিন, নারীর জননাঙ্গ তৈরির প্রক্রিয়াতে দায়িত্বপালন করে, নারীর মস্তিষ্কের কিছু অংশসহ! অতএব হর্মোন ভ্রুণের মস্তিষ্কের সাথে সেক্স করে। আর এ ব্রেন স্ট্রাকচারই পরবর্তী জীবনে কিছু লিঙ্গগত বৈষম্য তৈরিতে ভূমিকা পালন করে।
 
কিছুকিছু জেন্ডার ভেরিয়েশন এসেছে আমাদের পূর্বসূরি থেকে যখন তারা যুগলপ্রেম গড়ে তোলে এবং দলবদ্ধ হয়ে তাদের সন্তান লালন পালন করে।

 

The Gift of Gave

 
কথা বলার সক্ষমতার উপর একবার আমেরিকায় একটি এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয়৷ সেখান থেকে এটা পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠে যে, গড়ে মেয়েরা ছেলেদের থেকে দ্রুত কথা বলে। তারা, খুব সাবলিলভাবে, সর্বোচ্চ গ্রাম্যাটিক্যাল একুরেসির সাথে কথা বলতে জানে এবং প্রতি উচ্চারনে অধিক শব্দ। দশ বছর বয়সের ভেতর, মেয়েরা নিয়মিত মৌখিক যুক্তিতে দক্ষ হয়, লিখিত গদ্য, মৌখিক স্মৃতি, উচ্চারণ ও বানান। তারা বিদেশী ভাষায়ও অনেক পারদর্শী, তারা কম তোতলায়। পুরুষের তুলনায় তাদের মধ্যে ডিসলেক্সিয়া কম দৃশ্যমান হয়। কয়েকটি সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যা পরিচালিত হয়েছে এটা প্রমাণ করার জন্য যে নারীরা শাব্দিক দক্ষতা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে খুবই শক্তিশালী। ( Benderly 1987) কিছু একাডেমিক পরামর্শ দিয়েছেন উদাহরণস্বরুপ, নারীদের সুপারিয়র লিঙ্গুইস্টিক স্কিল সংঘটিত হয় কারণ নারী শিশুরা পুরুষের তুলনায় অধিক ম্যাচিউর হয়। আর ভাষার দক্ষতার কারণে নারীরা কিছুটা দ্রুত সংসার জীবনে প্রবেশ করে এবং স্কুল জীবনে। কিন্ত আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, গড়ে, লিঙ্গ বৈষম্যের একটি বায়োলজিক্যাল ফাউন্ডেশন আছে। উদাহরণস্বরূপ- নারীরা শাব্দিকভাবে অনেক বেশি ফ্লুয়েন্ট। ইংল্যান্ড, চেক রিপাবলিক ও নেপালে গবেষণা করে দেখা গেছে। তাছাড়া International Association for the Evaluation of Educational Achievement বিবৃতি প্রদান করেছে যে ৫ টি দেশের ৪৩,০০০ রাইটিং স্যাম্পলে নারীরা পুরুষদের থেকে অধিক চিন্তার পরিচ্ছন্নতা প্রদর্শন করেছে! Genetic Structure of Human Population নামক একটি আর্টিকেলে রোজেনবার্গ বলেন, নারীদের শাব্দিক উচ্চতার পেছনে ইস্ট্রোজেন হর্মোন কাজ করে।
 
 
২০০ প্রজননক্ষম নারীর উপর গবেষণা করে মনোবিজ্ঞানীরা জানান, প্রতি মাসের ম্যানিস্ট্রুয়াল সাইকেলের মধ্যবর্তী সময়ে, নারীদের মধ্যে ইস্ট্রোজেন হর্মোন বেড়ে যায় এবং তারা শাব্দিকভাবে অনেকবেশি দক্ষ হয়ে উঠে। মিড সাইকেলে তাদেরকে একনাগারে A box mixed biscuits in a biscuits mixer এ সেন্টেন্সটি ৫ বার পুনরাবৃত্তি করতে বললে তারা এটা অন্যসময়ের তুলনায় ভালো পারে। কিন্তু মেন্সের পর যখন ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যায়, তাদের এ স্পিড কমে যায়।( Helen Fisher)
 
 
নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব
 
 
 
 
প্রসবপূর্ব ইস্ট্রোজেন এখন শাব্দিক ক্ষমতার সাথে জড়িত আর অন্যদিকে টেস্টোস্টারন শাব্দিক দক্ষতার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। এরমানে এই নয় যে পুরুষরা অদক্ষ। প্রতিটি পুরুষেরই নারীদের তুলনায় শাব্দিক ক্ষমতা কম। নারীর মধ্যে যেমন বৈচিত্র্যতা আছে, বৈচিত্র্যতা আছে পুরুষের মধ্যেও। এবং সংস্কৃতির সবসময় একটি ভূমিকা আছে। প্রথম কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত, সমাজ দমন করে রেখেছিল, নারীদের বক্তা, কবি ও  লেখক হওয়ার সুযোগকে এবং চাষ করেছে পুরুষের প্রতিভা। আর এটা বিস্ময়কর নয় যে, বিশাল মাত্রার পাবলিক স্পিকার ও সাহিত্যের দৈত্য হয়েছে শুধুই পুরুষ, নারী নয়।
 
 

পুরুষ কী ম্যাথ বেশি বুঝে?

 
 
 
 
উচ্চমাত্রিক ম্যাথমেটিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধান করার ক্ষেত্রে পুরুষ এক্সেল (কিন্তু এরোম্যাটিকে নয়)। ম্যাপ রিডিং এর ক্ষেত্রে তারা খুবই ভালো, সমাধান করতে পারে ধাঁধা, তারা সম্পূর্ণ করতে পারে Visual-Spatial Quantitative task. (Fennema and leder 1990) ।এ প্রবণতা বায়োলজিক্যাল ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রেও দেখা যায়।
 
এ ধরণের দক্ষতা একদম ছোটবেলায়ই তাদের মধ্যে প্রতীয়মান হয়, সাংস্কৃতিকভাবে তাদের মস্তিষ্ককে প্রশিক্ষণ দেয়ার পূর্বেই। শিশুরা টিভির পর্দার চারপাশের মিটমিটে আলোগুলো চিহ্নিত করতে অনেক বেশি পারদর্শী। শিশু ছেলেরা অধিক খেলনা সংগ্রহ করে, তারা তাদের চারপাশের স্পেস এক্সপ্লোর করে, বিভিন্ন এবস্ট্রাক্ট প্যাটার্ন দেখে এবং খুব যথার্থতার সাথে সম্পর্ক করতে পারে। দশ বছর বয়সে ভেতরই অধিকাংশ শিশু তাদের মনের চোখে থ্রি-ডায়মেনশনাল অবজেক্ট রোটেট করতে পারে। শুধু তাই নয়, তারা দ্বিমাত্রিক পেপারের উপর থ্রি-ডায়মেনশনাল স্পেসকে বুঝতে পারে এবং তারা আস্তে আস্তে কিছু ম্যাকানিকাল ও স্পেসিয়াল টাস্ক সম্পাদন করতে পারে।। বয়সন্ধীতে এসে ছেলেরা মেয়েদেরকে আলজ্যাবরা, জিওমেট্রি ও অন্যান্য সাবজেক্ট যা Visual- spatial- Quantitative এর সাথে সম্পৃক্ত সেগুলোতে ছাড়িয়ে যায়। ( Maccoboy and jacklin 1974; McGuinness1979 ;Fennena and Leder1990!)
 
 
 
এ নিয়ে ২০০৭ সালে The Science of Sex Difference in Science and Mathmatics শিরোনামে NCBI তে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, সেক্সের পার্থক্য ও বিজ্ঞানের পারফরম্যান্স সরাসরি বিবর্তিত হয়নি কিন্তু পরোক্ষভাবে এটি জড়িত আমাদের আকাঙ্ক্ষার সাথে, নির্দিষ্ট ব্রেন ও জ্ঞানীয় প্রক্রিয়ায়। প্রায় ৫০০০০ আমেরিকান সেভেন্থ গ্রেডারের উপর পরীক্ষা চালানো হয় যারা এপটিটিউট টেস্টে স্ট্যান্ডার্ডস স্কলারশিপ নিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ -২৬০ জন ছেলে ও ২০ জন মেয়ে ৭০০ জনের মধ্যে যাদের ম্যাথ সমাধান করার রেশিও ছিল 13 to 1! সেক্সের পার্থক্যের সাথে স্পেসিয়াল তীক্ষ্মতা ও ম্যাথমেটিক্সের আগ্রহ বিভিন্ন সংস্কৃতিতেই পার্থক্যসূচক আচরণ করেছে।
 
বালিকা ও মহিলারা যেমন শাব্দিক দিক থেকে অনেক উন্নত, ঠিক তেমনি পুরুষদের মধ্যেও এসব ক্ষমতা পরিস্কারভাবে দেখা গেছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদানে। কিন্তু পুরুষের এ সকল কোয়ালিটির পেছনে একেবারে সারাসরি কতৃত্বশীল পুরুষবাদী হর্মোন টেস্টোস্টারনের একটি যোগসুত্র রয়েছে যা ভিজুয়াল স্পেসিসাল পারচেপসন ও ম্যাথ স্কিল প্রসারিত করে।( Manning 2002,Manning et al. 2001; Gescwind 1985, Fisher 1999) যে সকল নারী গর্ভে থাকাকালীন উচ্চমাত্রিক টেস্টোস্টারন এর ডোস গ্রহণ করে তারা ছেলেবেলায় টম বয়ের মতো আচরণ করে এবং টিনেজে উপনিত হওয়ার পর খুব ভালো গণিত সমাধান করতে জানে। বিপরীতভাবে সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত ছেলে যার মধ্যে টেস্টোস্টারন কম সে স্থানিক কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে করতে পারেনা।
 
 
 
যে সকল পুরুষের মধ্যে এক্সট্রা Y ক্রোমোজোম (XYY) রয়েছে তারা ভিজুয়াল-স্পেসিয়াল টেস্টে অনেক ভালো করে। এবং যাদের মধ্যে এক্সট্রা ফিমেইল X ক্রোমোজোম রয়েছে (XXY, or Klinefelter) তাদের গাণিতিক ক্ষমতা খুবই দারিদ্র্য।সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, হেলেন ফিশার ও তার সহকারী ব্রেন স্ক্যানাররা যখন দুজন নারী ও পুরুষকে ব্রেন স্ক্যানারের নিচে রাখলেন, তিনি বলেন, ( Using FMRI), আমরা দেখতে পাই, যে সকল নারী ও পুরুষ টেস্টোস্টারনের সাথে তাদের উচ্চমাত্রিক সম্পৃক্ততা প্রকাশ করেছিল তারাও অধিক ব্রেন একটিভিটি প্রকাশ করেছিল যা দৃশ্যকল্প ও স্থানিক মাত্রার সাথে সম্পৃক্ত__ ব্রেন ফ্যাক্টরি যা ভ্রুণের টেস্টোস্টারন দ্বারা তৈরি। এবং যে সকল নারীরা গবেষকদের স্কোরে পাস করেছিল তাদের মস্তিষ্কের সে একটিভিটি প্রকাশ পেয়েছিল যা ইস্ট্রোজেন এর সাথে সম্পৃক্ত। (L.L. Brown et al 2013, Fisher,island, rich, et al.2015, Fisher, et al, 2010)
 
 
ফিশার বলেন, আমি এটা সাজেস্ট করছিনা যে, নারীদের কোন সুপারিয়র কোয়ালিটি নেই। অন্যদিকে বিজ্ঞানী সিলভারম্যান ও ম্যারিয়ন বিল অত্যন্ত ভয়ানক নারীবাদী স্থানীক প্রবণতা আবিষ্কার করেছেন। একটি কক্ষে সিলভারম্যান ও বিল কিছু অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবজেক্ট এবং কাগজের সীটে অংকিত কিছু অবজেক্ট প্রদর্শন করেন। তারা নারী ও পুরুষকে সেগুলো স্মরণ করতে বললেন। দেখা যায় যে, নারী অনেক বেশি স্থিতিশীল অবজেক্ট স্মরণ করতে পারে, এমনকি তাদের লোকেশন। প্রতিটি জেন্ডারের মধ্যেই রয়েছে নির্দিষ্ট স্থানিক দক্ষতা।

 

 

আচ্ছা সংস্কৃতি কী নারীদেরকে অংকে ব্যার্থ হতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে আর পুরুষদের ইংরেজিতে?

 
 
 
এ লিঙ্গ বৈষ্যম্য ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যাও উপস্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষক ও পিতামাতার মনোভাব, সন্তানের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং যেভাবে তারা ছেলে ও মেয়েকে লালন পালন করে। সোসাইটির সংবেদন যে , গণিত পুরুষতান্ত্রিক। আর এছাড়া নারী ও পুরুষের ভিন্ন ভিন্ন খেলার প্যাটার্ন। প্রতিটি লিঙ্গেরই একটা সেল্ফ পারসেপশন ও এমবিশন থাকে। এবং তরুণদের উপর থাকে বিভিন্ন সামাজিক চাপ। এবং বিজ্ঞানীদের গবেষণার ফলগুলিও, সন্দেহাতীতভাবে টেস্ট স্কোরে প্রভাব ফেলে। স্কলাস্টিক প্রবণতাগুলো সংস্কৃতি ও নৈতিক পটভূমিভেদে ভিন্ন হয়ঃ সবকিছু সন্দেহাতীতভাবে টেস্ট স্কোরে প্রভাব ফেলে। এবং ১৯৭০ সালের পর থেকে স্টান্ডারাইজড গণিতে নারী ও পুরুষের তারতম্য হ্রাস পেতে থাকে। হেলেন ফিশার বলেন, Is Biology is destiny?
 
 
 
পুরোপুরিভাবে নয়, মানুষের প্রবণতা ও একশনের পেছনে হিউম্যান এপটিটিউডও বিশাল ভূমিকা পালন করে। শিশুদের লিঙ্গ বৈষ্যমের উপর বিশেষ পরিমাণ ডেটা বলছে যে, SAT স্কোরে নারী ও পুরুষের বৈষ্যমের পেছনে সামাজিক প্রেসারও জড়িত রয়েছে। এছাড়া টেস্টোস্টারন চালিতদের স্থানিক দক্ষতা রয়েছে এবং ইস্ট্রোজেনের রয়েছে ভার্বাল প্রবণতা ; বিজ্ঞানীদের ব্রেন স্ক্যান এক্সপেরিমেন্ট ; সকল সমর্থিত দৃষ্টিকোণ, এবং লিঙ্গের পার্থক্য, শেষ অংশে রয়েছে নারী ও পুরুষের শারীরিক বৈষম্য__ ফিশার বলেন। (Darwin 1871)
 
 
বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে ডারউইন সঠিক। ম্যাকগুইননেস, প্রিব্রাম ও হলের গবেষণায় দেখা যায়, নারীরা ইমোশন, দেহভঙ্গি বা মেজাজ, ঈশারা, কন্ঠস্বর, প্রসঙ্গ ও অন্যান্য নন-ভার্বাল ইনফরমেশন পুরুষের চেয়ে অনেক ভালো পড়তে পারে। সামান্য মাথার নাড়াচাড়া, কন্ঠস্বরের ফ্রিকোয়েন্সী পরিবর্তন, ঠোঁটের আন্দোলন, ঝাঁকুনি, গলার সুরের পরিবর্তন__ এ সকল সুক্ষ্ম সিগনাল নারীদেরকে নেতৃত্ব প্রদান করে এটা বুঝতে যে , কোনো ব্যক্তি আসলে Uncomfortable, অস্বাভাবিক, ভয়ানক, রাগান্বিত অথবা হতাশাগ্রস্ত কিনা। এ মন পাঠ করার এ ক্ষমতা যেটাকে থিওরি অব মাইন্ড বলে, সেটি কী ব্রেন এনাটমি থেকে নির্গত হয়?
 
 
হেলেন ফিশার বলেন, আমি তাই মনে করি।
 
নারীরা অন্যের মন খুব দ্রুত ও সুস্পষ্টভাবে পড়তে পারে। কিন্ত এর কারণ কী? Sex difference in the structural connectome of the Human brain ব্রেন শিরোনামে ২০১৪ সালে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয় সেখানে বলা হয়, গড়ে মস্তিষ্কের দুটি হেমিস্ফিয়ার অধিক সংখ্য নার্ভ ফাইভার দ্বারা সংযুক্ত। তাদের সম্ভবত অধিক দীর্ঘতর কানেকশন রয়েছে দুটো হেমিস্ফিয়ারের মধ্যে আর অন্যদিকে পুরুষদের অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত নার্ভ কানেকশন। আর এ জন্য গড়ে নারীর মস্তিষ্ক, ভালো সংযুক্ত, যেখানে পুরুষের মস্তিষ্ক কম্পার্টমেন্টালাইজ। (Geschwind 1974)
 
 
নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব
 
 
 
জেন্ডারের এ পার্থক্য, বিশেষভাবে হাসপাতালে সুস্পষ্ট হয়ে যায়। স্ট্রোক ভিক্টিম ও পেশেন্টদের কয়েকশত উদাহরণ আছে ব্রেন টিউমার ও আঘাতের। যেখান থেকে নারীরা খুব দ্রুত নিজেদের রিকভার করতে পারে, তাদের মস্তিষ্কের সুবিস্তৃত ফ্যাক্টরি ব্যবহার করে যাতে তারা তাদের স্কিল রিলার্ন করে। তাই, এ ডেটার ও নারী ও পুরুষের উপর অজস্র এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এখন বিশ্বাস করেন যে, নারীদের মস্তিষ্কের আর্কিটেকচার গর্ভের মধ্যে উন্নত হয়, যেটি ভ্রুণের ইস্ট্রোজেন দ্বারা তৈরি হয়। তারপর সমস্ত জীবনজুড়ে তাদের ইস্ট্রোজেনের প্রভাবই থাকে আর এই একটিভিটি খুব গভীরভাবে নিউরোকেমিক্যাল অক্সিটোসিনের সাথে সম্পৃক্ত। (Domes et al 2007)। এছাড়া, নারীদের ব্রেন স্ট্রাকচার সম্ভবত তাদের ইনট্যুইশন বা সজ্ঞার উপরও প্রভাব ফেলে__ যা তাদেরকে দৃশ্য , শ্রবণ, যুদ্ধ কৌশল, ওলফ্যাক্টরি সেন্স, মেমরির কেন্দ্র ও জ্ঞানগত দিক থেকে সক্ষম করে তোলে। নারীরা বিক্ষিপ্ত ও বিশৃঙ্খল বিটের তথ্যগুলোকে খুব দ্রুত Connect করে ফেলতে পারে,যা নারীদের ভেতর গভীর এক অন্তঃদৃষ্টি দিয়েছে_ডারউইন যেটার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন!
 
 
 

মাকড়সার জাল

 
নারীর মস্তিষ্ক হাজার হাজার বছর ধরে পুরুষের নিকট বিস্ময়। তারা নারীর ব্রেনকে সঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। এমনকি আমিও সে ৩.৯ বিলিয়ন পুরুষের মধ্যে একজন যাদের অনেকে নারীর মস্তিষ্ককে বুঝতে ব্যার্থ হয়েছে! সত্যি বলতে কী বিবর্তন নিয়ে আমি পড়াশুনা শুরু করেছি শুধু এই রহস্যময়, অদ্ভুত, অসাধারণ  সুন্দর সেপি নারীর মনকে বুঝতে! আসলে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীর সজ্ঞা (Intution)   পুরুষের চেয়ে উন্নত! Body Language নামক একটি আর্টিকেলে সাইকোলজি টুডেতে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয় সেখানে বলা হয়, শব্দ ছাড়াই নারী গ্রুপ হিসেবে খুব ভালো ফেশিয়াল এক্সপ্রেসন ফিল করতে পারে। সুক্ষ্মতর অনুভূতিগুলো বোঝার ক্ষেত্রেও তারা পারদর্শী। নারীরা তাদের ফেশিয়াল এক্সপ্রেসনের মাধ্যমে খুব ভালোভাবে তাদের ইমোশনগুলোও প্রকাশ করতে পারে, বিশেষ করে পজেটিভ ইমোশন। নারীরা অনেক এম্পেথেটিক, তারা তাদের ইমোশনাল মেসেজে খুবই স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালে হেলেন ফিশার Feedipedia’তে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন, তিনি বলেন, নারীর ইনট্যুইশন অত্যন্ত ক্ষমতাবান। এবং তিনি এটাকে Web of thinking নামে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, নারীরা খুবই প্রাসঙ্গিক, হলিস্টিক, যেকোনো ইস্যুকে তারা সূদুর প্রসারি দৃষ্টিতে দেখে! এরা অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটা বিষয় থেকে অনেক বড় মাপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারে।
 
হেলেন ফিশার যিনি নিজেও একজন নারী তিনি বলেন, We all collect ream of data when we think, put these bits of information into pattern, and weigh these variable as we make decision। প্লেটো বলেছিলেন, মন যখন চিন্তা করে, এটি তখন নিজের সাথে নিজেই কথা বলে। আপনার মস্তিষ্কের মধ্যে একটি কমিটি মিটিং সংঘটিত হয়। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যখন নারীরা চিন্তা করে, তারা অনেক বেশি ডেটা সংগ্রহ করে এবং তারপর এ ফ্যাক্টটয়েডগুলো অধিক কমপ্লেক্স প্যাটার্নে স্থাপন করে এবং অনেক বেশি অগ্রসর চিন্তা করে।
 
 
তারা সিন্থেসাইজ করেন যে, নারীরা যখন কোনোকিছু চিন্তা করে, তখন তারা অনেক বেশি জেনারেলাইজ করে, তারা সবসময় গ্লোবাল দৃষ্টিকোণ গ্রহণ করতে পছন্দ করে। যেমন- আপনি অনেক বিরাট একটা গল্প শোনালেন তাকে, আপনি ভাবছেন যে সে আপনার গল্পের প্রত্যেকটি অক্ষরের প্রতি ইমোশনকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে, ও স্বতন্ত্র মর্জাদা দেবে এবং তারা সে গল্পের মারপ্যাঁচে ফেঁসে যাবে! হ্যাঁ, এটা ঠিক যে তারা আপনার ইমোশন এবং তার অন্তরালের পারমাণবিক ইমোশনও বোঝার ক্ষেত্রে পারদর্শী, এবং আপনার মুখের সব এক্সপ্রেসন সে অনুভব করে ও খুব দ্রুত, কিন্তু পুরো গল্প শেষ করার পর তার মাইন্ড সম্পূর্ণ গল্পটি থেকে একটি গ্লোবাল সেন্স নেবে ! আমি এখানে নারীকে ছোট করার চেষ্টা করছিনা, আমি শুধু এটাই বোঝানোর চেষ্টা করছি, তাদের চিন্তা অখন্ড হয়, তাদের মধ্যে Sense of Wholeness কাজ করে, তারা সামষ্টিক দৃষ্টিকোণ বিচার করতে খুবই দক্ষ। হেলেন ফিশার বলেন, They think in Webs of Factor, not straight Line__Web thinking!
 
নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব
 
 
 
 
নারীরা সরলরেখায় চিন্তা করেনা, তাদের চিন্তা পটেনশিয়াল। পুরুষ সাধারণত তার লক্ষ্যে স্থির থাকে, তারা কোনো ইনফরমেশনকে যদি অবান্তর মনে করে সেটা সে ছুড়ে ফেলে দেবে এবং তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে উপনিত হয় সরলরেখায়। লিনিয়ার থিংকিং, বা ক্যাজুয়াল ম্যানারে পুরুষ চিন্তা করে যেটাকে ফিশার বলেছেন, Step Thinking.
 
দুটোই খুব ভালো মনন। কিন্তু এগুলো কেনো বিবর্তিত হয়েছিল। ফিশার বলেন, আমি মনে করি, ওয়েভ থিংকিং ও স্টেপ থিংকিং দুটোই বিবর্তিত হয়েছে সুদীর্ঘ অতীতে। আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছিলাম, আমাদের আদিম পূর্বসূরী পুরুষরা শিকার করতো, অনেক সংকটজনক পরিস্থিতিতে, এ জন্য তাদেরকে শিকারের দিকে সুকঠিন ভাবে মনোনিবেশ করতে হতো, নয়তো শিকার ফসকে যেতো আর এতে করে তাদের পরিবার হয়তো না খেয়ে কষ্ট পেতো। একটি মহিষের মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করার জন্য তাদের চিন্তাকে অনেক বেশি কেন্দ্রীভূত করতে হতো, ডিপ বা ব্লার ফোকাস ছিলো তাদের জন্য খুব সীমাবদ্ধ। আর ও জন্য পুরুষের মস্তিষ্ক একইসাথে ও একইসময় মাল্টিপল টাস্ককে গণনায় নিতে পারেনা, তারা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাতিল করে দিতে পারে, ডেটা গ্রহণ ও বর্জনের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে একপ্রকার এক রোখা স্বভাব দেখা যায়। আর অন্যদিকে নারীরা সন্তান দেখাশুনা করতো, কুড়েঘর তৈরি করতো, রান্না করতো, চুলায় আগুন দিতো এবং এভাবে তাদেরকে আরো অনেক অজস্র অদ্ভুত সব কাজ করতে হতো। আর এ জন্য তাদের ব্রেন রিয়েলিটিকে খন্ড খন্ড করে দেখেনা, তার সবগুলো বিকল্পকে একত্রিত করে একটি এখন্ড, সাধারণ ও সার্বজনীন পটেনশিয়াল মন তৈরি করে। আর এ জন্যই নারীর মন তৈরি হয়েছে অত্যন্ত Widely Connect একটি মাইন্ড হিসেবে, এরা সবসময় সুইম করে কিন্তু সীমারেখা নির্ধারণ করেনা বা এরা ভাসমান, আর এ জন্য বিরাট একটি সংসারে নারীর মনে ডুবে যায়, সে যেনো কিছুই ফিল করতে পারেনা, কত সহযে সে কত জটিল জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে অবিরত!
 
 
 
নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব
 
 
 
নারী ও পুরুষের ভুল বোঝাবুঝি এখান থেকেই শুরু। পুরুষ লিনিয়ার ডায়মেনশন চিন্তা করে। সে পয়েন্ট A থেকে পয়েন্ট B’তে যায় অথবা B থেকে C’তে। সে একটি বিকল্প গ্রহণ করলে অন্য বিকল্পটি পরিত্যাগ করে। আর নারীর মন A, B,C,D সর্বত্র উপস্থিত থাকে,সে কোন বিন্দু থেকে কোন বিন্দুকে আলাদা করেনা। আর এ জন্যই তাঁর মন ঝাপসা, কুয়াশচ্ছন্ন, সে কোয়ান্টাম পার্টিকেলের মতো অনিশ্চিত! আর এ অস্পষ্টতাই নারীর সাথে পুরুষের ভুল বোঝাবুঝির প্রধান কারণ। কেননা পুরুষ A থেকে B তে যেতে চাচ্ছে কিন্তু নারী কোথায় যাচ্ছেনা। ফিশার বলেন, নারীর মন অস্পষ্টতার সাথে খুব দ্রুত অভিযোজিত হতে পারে, এ জন্যই সম্ভবত অবলা কথা ও অস্পষ্ট চিন্তাও তারা ধরে ফেলতে পারে। আর এই যে আমরা নারীকে এত ভালোবাসি, তার একমাত্র কারণ এরা খুবই কৌমল ও নমনীয়, তাদের ফ্লেক্সিবিলিটি পেতে আমরা কত কাঁতর! কিন্তু এ ফ্লেক্সিবিলিটির পেছনে নারীর Web thinking কাজ করছে! আমি এটা বরং হকিং এর Universal Web function এর সাথে তুলনা করতে চাই, যে ওয়েভ ফাংশনে একইসাথে মাল্টিভার্স থাকে( ফান)!  যাইহোক, এ পরম মমতা, বিনয় ও স্নেহমহী নারী তার ওয়েভ থিংকিং এর কারণেই এতটা বিগলিত। ফিশার বলেন, It most likely also Contribute to woman’s Mental Flexibility, their propensity for long-term thinking, and their Vivid Imagination!
 
 
 
আইনস্টাইন বলেছিলেন, যুক্তি দিয়ে পয়েন্ট A থেকে B তে যাওয়া যায় কিন্তু কল্পনা আমাদের নিয়ে যায় সর্বত্র! নারীর মস্তিষ্ক কী এ জন্যই দুর্দান্ত সব কল্পনা তৈরি করতে পারে?
 

নারীরা কেনো সুক্ষ্মতম কাজগুলোতে বেশি পারদর্শী?

 
আমরা আগেই জেনেছি পুরুষ স্থানিক মাত্রার সাথে সম্পৃক্ত কাজগুলো করার ক্ষেত্রে বেশি পারদর্শী, তারা খুব সহযে ম্যাথ সমাধান করতে পারে আর অন্যদিকে নারীরা কথা বলার দক্ষতা ও ওয়েভ থিংকিং। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র সেক্সের পার্থক্য ইন্টেলেকচুয়াল তারতম্যই প্রতীয়মান হচ্ছেনা যা বায়োলজিক্যাল ফাইন্ডেশনে প্রতীয়মান হচ্ছে, তাদের এ সকল প্রবণতার পেছনে রয়েছে বিবর্তনীয় ইতিহাস। সকল বয়সের নারীদের মধ্যে উন্নত সুন্দর মোটর কো-অর্ডিনেশন রয়েছে। তারা অত্যন্ত ক্ষুদ্র অবজেক্টকে খুব সুন্দরভাবে চালনা করতে পারে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সুঁইসুতা অথবা মাথার উঁকুন থেকে আরো শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ কী হতে পারে? ছোট মাছ বাছাই করা, তরকারী থেকে পোকামাকড় পরিস্কার করা, চাল থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথর বাছাই করা, বিছানা পরিস্কার করা, জামাকাপড় পরিস্কারে দক্ষতা, পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে খুঁতখুঁতে হওয়া__ আরো এমন অজস্র ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের অভিজ্ঞতা দেখেছি আমাদের মা, বোন, স্ত্রী ও সম্ভাব্য স্ত্রীদের মধ্যে! সুঁইসুতা প্রতিযোগীতায় আপনার কী মনে হয় কোন পুরুষ প্রথম স্থান অধিকার করবে? কিন্তু এই মাকড়সার জাল নারীদের একটা সিক্রেট কি জানেন? এরা ম্যানিস্ট্রুয়াল সাইকেলের মাঝামাঝি পর্যায়ে আসার পর অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠে, কারণ এ সময় তাদের ইস্ট্রোজেন বেড়ে যায়! এরা সাইকোলজিক্যাল কাজগুলো খুবই দুর্দান্ত দক্ষতার সাথে করতে পারে! মেয়েদের ঠিক এ সময়টাতে সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও সুন্দর লাগে! আকস্মিক ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার পর এদের রুপ বদলে যায়, মাঝেমাঝে সম্পূর্ণ অচেনা লাগে! মনে হয় যেনো সে আমাকে কোনদিন দেখেইনি! তার চোখে সুঁইসুতা ধরা পড়ে কিন্রু আমি আর ধরা পড়িনা! যাইহোক, গবেষণা প্রবন্ধে এত বেশি মজা করা উচিত না। আবার অপরদিকে পুরুষরা আবার মোটর স্কিলে খুবই দক্ষ, স্পিড ও ফোর্স। এরা দৌড়াতে পারে, জাম্প দিতে পারে, ভালো লাঠি ছুড়তে পারে, পাথর ও বলও!( স্পার্মওয়্যার এন্ড অর্গাজম
 
 
নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব
 
 
 
 
আবারও এটি আমাদের মধ্যে ইভোলুশনারি সেন্স তৈরি করে। আমাদের আদিম পূর্বসূরী নারীরা ছিল মূলত সংগ্রাহক, তারা ক্ষুদ্র বীজ ও জামের মতো ফল সংগ্রহ করতো। ঘাস, ধুলো ও শিশুদের জন্য কাঠিও সংগ্রহ করতো আর এ জন্যই তার উন্নততর মোটর কো-অর্ডিনেটর গড়ে উঠে এবং সম্ভবত তুলনামূলক টিকে থাকে, যা আজকের আধুনিক নারীর মস্তিষ্কের বিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। আর অন্যদিকে পুরুষরা শিকারী প্রাণীর বিপক্ষে ও শিকার ধরার জন্য অস্ত্রসস্ত্র ব্যবহার করতো। আর এ জন্যই পুরুষের স্থুল মোটর কো-অর্ডিনেশন বিবর্তিত হয়।
 


পরের অংশ-  মানব মনের ফসিল

 

 

নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব

নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্ব নারী ও পুরুষের মনস্তত্
hsbd bg