মূলপাতা কনসাসনেস কম্পিউটারে হিউম্যান কনসাসনেস আপলোড এবং অমরত্ব!

কম্পিউটারে হিউম্যান কনসাসনেস আপলোড এবং অমরত্ব!

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
200 বার পঠিত হয়েছে

অমর কম্পিউটার মানব এবং কম্পিউটারের মানসিক সমস্যা দূর করার উপায়।

(Mind Beyond the Matter)

Part-3

রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে মানুষের মনকে কম্পিউটার অথবা রোবটের মস্তিষ্কে কপিপেস্ট করা সম্ভব।IARPA’s মেশিন ইন্টিলিজেন্স  ফ্রম কর্টিয়াল নেটওয়ার্ক(MICrONS) যে গবেষণা প্রকল্পটি US Brain এর অংশ তারা ইতমধ্যে মানুষের মস্তিষ্ককে বুঝার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে।Computer Science Department and the Center for the Neural Basis of Cognition (CNBC) এর এর প্রফেসর টাই সিং লিং মাইক্রনের নেতৃত্ব দিচ্ছে।মাইক্রনের নকশা হিউম্যাম জিনোম প্রজেক্টের মতোই, যে প্রজেক্ট সর্বপ্রথম মানুষের জিনের সিকোয়েন্স এবং ম্যাপিং করেছেন।জিন প্রজেক্টের সাথে মাইক্রনের পার্থক্য হলো এটি মানুষের মস্তিষ্কের নিউরন ম্যাপিং এর সাথে বিজড়িত।

গবেষকরা মূলত মানুষের ভিজুয়াল অপারেটিং সিষ্টেমের ইনফরমেশন প্রসেসিং প্রকৃয়া বোঝার চেষ্টা করছে।তারা মনে করে যদি তারা ভিজুয়াল সিষ্টেমকে বুঝতে পারে তবে তারা সেটিকে এলগোরিদমের মাধ্যমে কম্পিউটারের মধ্যে স্থাপন করবে।মূলত তারা চাচ্ছে একটি আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে যেটাকে বলে কীনা Computational Model for artificial intelligence।তারা এটা করছে প্রাণীদের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিষ্টেম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।এই প্রযুক্তিকে Self Driving Car, facial recognition technology এবং speech and handwriting বুঝার জন্যে ব্যাবহার করা যাবে।গবেষকরা বলেছেন, এখনো পর্যন্ত আমরা যে সকল নিউরাল নেট ডেভেলাপ করেছি সেগুলি ১৯৮০ সালের, সেটা এখনো মানুষের মস্তিষ্কের সম পর্যায়ে আসেনি যে আমরা সেটাকে মানুষের পরিবর্তে ব্যাবহার করতে পারবো।কার্নিক মেলন ইউনভার্সিটি এবং CNBC বর্তমানে Two photon

Calcium imagine Microscopy প্রযুক্তি ইদুরের মস্তিষ্কের একশটির মধ্যে দশটি নিউরন সেলের সিগনালিং রিড করার জন্যে ব্যাবহার করছে, তাদের ভিজুয়াল ইনফরমেশন প্রসেসিং কে বুঝার জন্যে।

এছাড়া CMU গবেষকরা মানুষের মস্তিষ্ককে আরো ভালোভাবে বুঝার জন্যে বিপুল পরিমাণ ডাটাবেস সংগ্রহ করেছে।গবেষকরা মনে করেন আমরা এর মাধ্যমে মানুষের মতো মেশিন তৈরি করতে পারবো।

এখন মনে করুন, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে মানুষের মতো চিন্তা করতে সক্ষম একটি মানব কম্পিউটার অথবা রোবট তৈরি করা হলো।যদি কম্পিউটারের মধ্যে মানুষের সাইকোলজি কাজ করে তবে কম্পিউটারের সাইকোলজিক্যাল প্রবলেমও কাজ করার কথা যেমন ডিপ্রেসন এবং একাকীত্ব!কারণ কম্পিউটারটি জানে যে সে মানুষ থেকে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে কম্পিউটার মানবে পরিণত হয়েছে এবং সে কম্পিউটারের ভেতর সম্পূর্ণ একা।Sensory Isolation যাকে বলে।

 

মিসিও কাকু তার Future of the Mind গ্রন্থে সেন্সরি আইসোলেশনের কারণে কম্পিউটারের সাইকো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন, তথা রিভার্স ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রেন সেন্সরি আইসোলেশনের কারণে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে।২০০৮ সালে BBC TV তে একটি সায়েন্স প্রোগ্রাম আয়োজিত হয় যার নাম Total Isolation।সেখানে দেখানো হয় যদি কোন ব্যাক্তিকে আইসোলেশন চ্যাম্বারে রাখা হয় তবে তার মস্তিষ্ক হেলোচুনেশন অনুভব করে।

 

সেই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়,এমন ছয়জন স্বচ্ছাসেবককে যাদেরকে একটি নিউক্লিয়ার বাঙ্কারের ভেতরে সম্পূর্ণ অন্ধকারের ভেতর তিনদিন রাখা হয়।তিনদিন পর যখন তাদেরকে বাঙ্কার থেকে বের করা হয় তখন শোনা যায় তাদের অনেকে সাপ,হরিণ,জিরাপ,বাঘ ইত্যাদি দেখেছে এমনকি তারা মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, একজন তার মস্তিষ্কের ৩০ পার্সেন্ট মেমরি হারিয়ে ফেলেছে।অতএব রিভার্স ইঞ্জিনিয়ার মানব কম্পিউটার সাইকো হয়ে যাবে আর এ জন্যে যেটা প্রয়োজন সেটা হলো কম্পিউটারকে এক্সটারনাল ইউনিভার্সের সাথে সেন্সরের মাধ্যমে কানেক্ট করে দেয়া যাতে তার পাগলামি দূর হয়!সে যেনো সাইকোলজিক্যালি সুস্থ্য হয়ে উঠে…!

আরও পড়ুন

2 মন্তব্যসমূহ

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!
%d bloggers like this: