আইনস্টাইন সুইসাইডও করতে চেয়েছিলেন....

আইনস্টাইন সুইসাইডও করতে চেয়েছিলেন…

আপনি কী জানেন, আইনস্টাইন একবার সুইসাইড করতে চেয়েছিলেন? আলবার্ট আইনস্টাইনের কথাই বলছি! আইনস্টাইন নিজেকে পরিবারের অর্থনৈতিক বোঝা মনে করেছিলেন, তিনি অনুতাপ করে বলেছিলেন, আমার পিতামাতার দূর্ভাগ্যজনক দারিদ্রতা, তারা বহু বছর একটি সুখের মুহূর্ত পায়নি, এটি আমার ভেতরটা ভারী করে তোলে….আমি কিছুই না পরিবারের একটি বোঝা ছাড়া… এটি ভালো হতো যদি আমি জীবিত না থাকতাম ! তার প্রেমিকা অপ্রাত্যাশিতভাবে গর্ভবতী হয়ে যান, তিনি দুঃখের সাথে অনুধাবন করেন তার কাছে বিয়ে করার প্রয়োজনীয় সম্পদ নেই। ঠিক তখনই আকষ্মিক তার বাবা মারা যায়, তিনি আবেগীয়ভাবে এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে উঠেছিলেন যে সে আতঙ্ক তিনি আর কোনদিন কাটিয়ে উঠতে পারেন নি! ১৯০১-২ আইনস্টাইনের জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় ছিলো! তার ভবিষ্যতকে বিস্মৃতি থেকে রক্ষা করেছিলো মার্সেল গ্রোসম্যান, আইনস্টাইনের ক্লাসমেট, যিনি সুইস প্যাটেন্ট অফিসে আইনস্টাইনকে একটি কেরানির চাকরির ব্যবস্থা করে দেন! আর এ প্যাটেন্ট অফিস থেকেই তিনি পদার্থ বিজ্ঞানের ইতিহাস নতুন করে লিখেছিলেন! বদলে দিয়েছিলেন বহু শতাব্দীর চিন্তা! যখন আইনস্টাইনকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো তার প্রতিভার রহস্য কী? তিনি মনে করতেন না যে তার প্রতিভা তার মস্তিষ্কের আলাদা কোন গঠনের কারণ। তিনি বলেছিলেন, আমি আমার বন্ধুদের সাথে ম্যাথ সমাধান করার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করেছি।
 
প্রশ্ন হলো, দারিদ্রতা কী মানুষের মস্তিষ্কের কোন সিক্রেট ডায়মেনশন উন্মোচন করে দেয়? অভাব ও কঠিন ব্যাথার সাথে কী সৃষ্টিশীলতার কোন সংযোগ আছে? আছে, সম্ভবত! কারণ ট্রেস প্রযুক্তির মাধ্যমে অতীতের দুঃখ্যজনক স্মৃতি ভুলিয়ে দিলে একজন মানুষ ভবিষ্যতে সৃজনশীল কোন কিছুই করতে পারবেনা, ভবিষ্যত জীবনে ভালো করার জন্য অতীতের দুঃখ, বিচ্ছেদ ও যন্ত্রণা তথা অতীত জীবনের শিক্ষার প্রয়োজন আছে। এ জন্য ড্রাগের মাধ্যমে অতীতের বেদনাদায়ক স্মৃতি ভুলিয়ে দেবার ব্যাপারটিকে কিছু বিজ্ঞানী নৈতিকভাবে সঠিক মনে করেন না । নীতিবিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে সবসময় উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছেন! যাইহোক ,আলবার্ট আইনস্টাইনের কথা বলছিলাম! আজ এ মহান বিজ্ঞানীর জন্মদিন। হেলিক্স ইউনিভার্সিটি; দ্যা হাইপারস্পেসের  পক্ষ থেকে আলবার্ট আইনস্টাইনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ মহাবিশ্বের গভীরতম রহস্য উন্মোচনে পৃথিবীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য!
 
 তথ্যসুত্র-
 
 
 
 
hsbd bg