সচেতন ও অবচেতন মন
মূলপাতা কনসাসনেস অবচেতন ও সচেতন মন

অবচেতন ও সচেতন মন

লিখেছেন অ্যান্ড্রোস লিহন
150 বার পঠিত হয়েছে

অবচেতন ও সচেতন মন ( Difference Between Subconscious and Conscious Mind)s

part-9

বেইলর কলেজ অফ মেডিসিনের নিউরো-সায়েন্টিস্ট ডেভিড ইগলম্যান বলেছিলেন আমাদের অধিকাংশ ইনফরমেশন সাব-কনসাস কারণ একজন রাজা শুধুমাত্র সিংহাসনেই বসে এবং রাজ্যের সকল কিছুর ক্রেডিট নেয় সে রাজ্যের সামগ্রিক ইনফরমেশন সম্পর্কে অজ্ঞাত।

 

ঠিক তেমনি আমাদের মস্তিষ্ক সাব-কনসাস প্রসেস সম্পর্কে অজ্ঞাত, যদিও আমাদের দেহের ৭ অক্টিলিয়ন এটমকে আমাদের মস্তিষ্ক সাব-কনসাসলি পর্যবেক্ষণ করছে কিন্তু প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স আমাদের এটাও জানতে দেয়না যে আমাদের দেহে এটমের সংখ্যা কত!কারণ এত বিপুল ইনফরমেশন নিয়ে তার চিন্তা করার সময় নেই, আমরা শুধুমাত্র আমাদের Self কেই রিয়েলাইজ করি এবং যতটুকু তথ্য আমাদের জন্যে প্রয়োজনীয়।

 

শিল্প,সংস্কৃতি,রাজনীতি অথবা আইন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ এমনকিছু কার্য-কারণ সম্পর্ক দ্বারা প্রভাবিত যেটা সম্পর্কে আমরা সচেতন নয়, বিশেষ করে আমরা কেনো ছবি আঁকি,কেনো আমরা কবিতা লিখি,শিশুরা কেনো খেলতে ভালোবাসে, কেনো আমরা গল্পগুজব ভালোবাসি, বিজ্ঞানের তুলনায় কেনো আমরা সেন্স অব হিউমারের দিকেই বেশি আকৃষ্ট,আমরা তার পেছনের ইঞ্জিনিয়ারিং বুঝিনা!এভোলিউশন আমাদের  যা কিছু সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠতে  ফোর্স করছে সেই প্রকৃয়া সম্পর্কে আমরা অসচেতন, এমনকি কিভাবে আমাদের মন আমাদের মনকে উপলব্দি করছে তার নিউরাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কেও আমাদের মন অসচেতন, এগুলি আমাদের মধ্যে সাব-কনসাসলি ঘটছে।আমাদের সমস্ত জীবন সাব-কনসাসলি কিছু হিডেন ফ্যাক্টর দ্বারা প্রভাবিত যেজন্যে আমরা জীবনকে কিছু সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে উপলব্দি করতে পারছি তার পেছনের ম্যাকানিজম সম্পর্কে অজ্ঞাত থেকে।আমরা যদি সম্পূর্ণ প্রকৃয়া সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠি তবে আমাদের মস্তিষ্কের বিপুল পরিমাণ এনার্জি অপচয় হবে যা আমাদের বায়োলজিক্যালি ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং প্রজাতির টিকে থাকার সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যাবে!পৃথিবীতে বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকের পরিমাণ এ জন্যেই খুবই স্বল্প কারণ তারা অভিজ্ঞতার জগতের ভেতর কার্যকর সাব-কনসাস নিয়মগুলিকে জানতে চায় যেটা অনেকটা বিবর্তন বিরোধী।

মোটকথা আমরা রিয়েলিটি বলতে যা বুঝি তা আমাদের সাব-কনসাস মাইন্ডের Approximation। এটি  আমাদের নিকট মহাবিশ্বের অনেকগুলি মিসিং লিংক পূরণ করে দেখায়।ডঃইগলম্যান বলেছিলেন,অনেক নারীদের মধ্যে এভোলিউশন এক্সট্রা চার রকমের কালার রিসিপ্টরের মিউটেশন ঘটিয়েছে যার জন্যে তারা চার রকমের রঙকে আলাদা করতে পারে যেটা আমাদের কাছে আমাদের সাব-কনসাস মাইন্ড একই রকম দেখায়!

পরিস্কারভাবে আমরা থট প্রসেস সম্পর্কে যতই জানি ততই প্রশ্নের জন্ম হয়!কনসাসনেস আসলে কী?আমি কে!আর আত্মসচেতনতাই বা কী!একজন পদার্থ বিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা পরবর্তীতে কনসাসনেস সম্পর্কে জানবো সে পর্যন্ত পাশে থাকুন।

 

সচেতন ও অবচেতন মন ; তথ্যসুত্র
আমাদের প্রাসঙ্গিক আর্টিকেল গুলি পড়ুন

 

 

আরও পড়ুন

Leave A Comment...

হাইপারস্পেস
চিন্তা নয়, চিন্তার পদ্ধতি জানো...!